, ,

শিরোনাম :
বরিশালে লঞ্চঘাটের টোলঘর থেকে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত কুয়াকাটা বরিশালে ইয়াতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কুরআন উপহার দিল লাভ ফর ফ্রেন্ডস দুইদিনেও নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রের সন্ধান মেলেনি অনিয়ম দু’র্নী’তি’তে জ’র্জ’রিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ বগীর বাজারে ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনসাধারণ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশাল মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’র শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ‘নতুন বরিশাল’ গড়তে চান এনসিপির মেয়র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন ছাত্রাবাস নির্মাণ করতে সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাট, বাধা সিটি করপোরেশনের

অসহায় বৃদ্ধা মায়ের আর্তনাদ

dynamic-sidebar

আল আমিন গাজী ॥বৃদ্ধাশ্রম নামটি এখন বর্তমান সমাজে জনপ্রিয়। সমাজে ছোট থেকে বড় সবাই জানে বৃদ্ধাশ্রমে কারা বসবাস করে। মা নামটি বরই মধুর । ১০মাস ১০দিন মা অনেক কস্ট ব্যাথা অনুভব করে সেই ছোট গর্ভে ধারন করা শিশুটিকে পৃথিবীর আলো দেখায়। সন্তান ল্যাংড়া,খোড়া,প্রতিবন্ধী হলে সন্তানকে বুকে জড়িয়ে মা লালন পালন করে । কিন্তু সন্তানকে কোন দিন ফেলে দেয়ার চিন্তা ও করে নি মা। সেই ছোট শিশু বড় হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে মাকে ছুরে ফেলে দেয় রাস্তায়। আর সেই দুঃখিনী মায়ের স্থান হয় বৃদ্ধাশ্রম। বরিশাল নগরীর আমতলার মোড় শিশু পরিবার দক্ষিন ও সেফ হোম শান্তি নিবাসে দেখ মিলে ৬জন বৃদ্ধা মায়ের। সরজমিনে জানা য়ায়, শিশু পরিবার দক্ষিন ও সেফ হোম শান্তি নিবাস , সমাজ সেবা অধিদপ্তর পরিচালনা করেন। সেখানে প্রায় অসহায় মা-বাবা হারা এতিম ৯৯জন শিশু ,কিশোরী রয়েছে। আর তাদের দেখা শোনা করতে ৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারি রয়েছে। সরজমিনে আরো দেখা যায়,হৃদয় ভাংঙ্গা অসহায় মায়ের কান্না। কদবানু বয়স প্রায় (৭৫) বাড়ি পটুয়াখালি সংসারে ৪মেয়ে,২ছেলে । এক মেয়ে সরকারী একটি দপ্তরে চাকরি করে। বাকি মেয়েরো স্বামীর সংসারে ব্যস্ত । আর ছেলে ২ জন রিক্সা চালাক। তার পর ও কদবানুর একবেলা খাবার দেয়ার মত কেউ নেই। সন্তানদের অবহেলায় (১৭) বছর যাবৎ পরে রয়েছে সেফ হোম শান্তি নিবাসে। আর এক মা বিউটি বেগম শারীরিক প্রতিবন্ধী, মাকে জিজ্ঞাসা করি তার সম্পকে। কিন্তু তিনি প্রথমেই দুই চোখের পানি চেরে দিয়ে বলেন, কম বয়সে স্বামীকে হারিয়েছি। নেই কোন সন্তান আমার। নেই কোন আপন ভাই বা বোন, এই পৃথিবীতে আমাকে দেখার মত কেউ নেই । আমি মরে গেলে আমার কবরে মাটি দেয়ার মত আপন জন নেই। তাই আমাকে এক লোক এখানে দিয়ে যায়। তাকে এতিম শিশুদের সাথে থাকার বিষয় জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,আমার কেউ নাই তাতে কি । এখানে মা-বাবা হারা এতিম অনেক শিশু রয়েছে ওরা আমাদের ৬জনকে অনেক ভালবাসে। আমরা ও এতিম শিশুদের সাথে নানি নাতির সম্পক তৈরি করেছি।আমার এখানে থাকতে ভালো লাগে। তবে সেখানে এতিম বাচ্চাদের জন্য রয়েছে অনেক সুযোগ সুবিধা। আর সমাজে বসবাস করা আর ৫টি ছেলে মেয়ের মত তাদের মধ্যে রয়েছে নানা প্রতিভা। লেখা পড়ার পাশাপাশি তাদের গান,নাচ,শৈলপিক নিদর্শন সহ নানা সুযোগ পায় তারা। কিন্তু এ যেন মনে হয় বৃদ্ধা মা ও এতিম শিশুরা অগাধ ভালবাসায় আবদ্ধ । তবে বৃন্ধা মা ও এতিম শিশুরা বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অনেক সুযোগ করে দিয়েছেন। আমাদের খাবার সহ লেখাপড়া সব খরচ বহন করেছেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানায় তারা। এ বিষয় শিশু পরিবার দক্ষিন ও সেফ হোম শান্তি নিবাসে কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন বলেন,প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে । এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অসহায় বৃদ্ধ মা ও এতিম শিশু কিশোরীদের সরকারী উদ্দেগে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজে দেখবাল করেন। যে কোন অসহায় মা বা কোন এতিমরা পথে পথে দিশেহারা হয়ে জীবনকে বিসর্জন না দিয়ে , নিজ পরিবারের মত সমাজে সাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে। তবে আমার ও ভালো লাগে তাদের খোঁজ খবর নিতে। আমি সব সময় তাদের পাশে আছি।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net