বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মো. তাইজুল ইসলাম তাজ, মো. সাব্বির খান, মো. ইরফান হিমেল, তামজিদ বাঁধনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সোমবার হওয়া একটি মামলায় তাঁকে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার আদালতে তাঁকে চালান করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, “অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের জন্য সোমবার ওসির সঙ্গে কথা বলেছিলাম।”
আহত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট ব্যতীত সব রাজনৈতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীর পাশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় আছে।”
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আনন্দবাজার এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তাজসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে প্রায় ১০ মিনিট পর তাঁরা অবরোধ তুলে নেন।
অভিযোগ রয়েছে, তাজের নেতৃত্বে বহিরাগত ছাত্রলীগকর্মী সাব্বির, হিমেল ও বাঁধনসহ ১০ থেকে ১৫ জন এ হামলায় অংশ নেন। এতে ছাত্রদল নেতা ইমরান মাহমুদুল, জনি ও আশিক আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ছোট ব্রিজসংলগ্ন নলছিটি হাউজিং এলাকায় তিন বহিরাগতকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করেন ছাত্রদল নেতা ইমরান মাহমুদুল ও তাঁর সহকর্মীরা। এ সময় তাঁদের মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। একপর্যায়ে তাঁদের চড়-থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
পরে ওই ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকর্মী তাজের নেতৃত্বে সংগঠিত হয়ে ইমরান মাহমুদুলসহ ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর আগেও ইয়াবাসংক্রান্ত একটি মামলায় তাজকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
Leave a Reply