খবর বরিশাল ডেস্ক ::
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আড়িয়াল খাঁ নদীতে চলছে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান। তবে প্রায় ৪০ কিলোমিটার জলসীমার তিনটি নদীতে অভিযান পরিচালনায় বাজেট ও জনবল সংকটের অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স, নৌযান ও অর্থ বরাদ্দের অভাবে বিশাল জলসীমায় কার্যকর নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তিনটি নদীতে অভিযান পরিচালনার জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ৭০ হাজার টাকা। বর্তমানে দিনে একটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। অর্থসংকটের কারণে রাতে নিয়মিত টহল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল, নদীতীরবর্তী বাজার ও সম্ভাব্য মাছ বিক্রির স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকার অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযানে শুধু অবৈধ জাল উদ্ধারই নয়, নদীতে মাছের উপস্থিতিও কম দেখা যাচ্ছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ এফ এম নাজমুস সালেহীন খান বলেন, এবার তিনটি নদীতে অবৈধভাবে পেতে রাখা জাল উদ্ধার করে খুব অল্প পরিমাণ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। গত ১৮ অক্টোবর অভিযানে চারটি জাল উদ্ধার করে দুটিতে মাত্র দুটি ৬-৭ ইঞ্চি আকারের ইলিশ এবং অন্য একটি জালে ছোট তিনটি পোয়া মাছ পাওয়া যায়। এভাবে মাছ কমতে থাকলে ভবিষ্যতে নদীগুলো ইলিশশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জেলে জানান, নদীতে মাছের আধিক্য নেই বললেই চলে। একটি জাল তুলে অন্য জালে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, অনেক ক্ষেত্রে একেবারেই মাছ মিলছে না। এ পরিস্থিতিতে নদীতে মাছের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মা ইলিশ রক্ষায় তিনটি নদীতে একযোগে অভিযান, রাতে টহল, খালের মুখে নজরদারি এবং নদী তীরবর্তী বাজার ও মাছ বিক্রির স্থানগুলোতে তদারকি বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও জনবল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply