শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:০১

শিরোনাম :
বরিশালের চরকাউয়া বাসষ্ট্যান্ড স্থানান্তরের দাবি

বরিশালের চরকাউয়া বাসষ্ট্যান্ড স্থানান্তরের দাবি

dynamic-sidebar

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাক্ষুসী কীর্তনখোলার আগ্রাসী থাবায় যেকোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছেন বরিশালের চরকাউয়া বাসষ্ট্যান্ডটি। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনার আগেই স্থানীয়রা জরুরি ভিত্তিতে জনগুরুত্বপূর্ণ ওই বাসষ্ট্যান্ডটি অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি করেছেন।

সূত্রমতে, চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গোমা, লাহারহাট, কাঁটাদিয়া, ডিসি রোড, সাহেবেরহাট ও বিশ্বাসেরহাটের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন অসংখ্য বাস যাতায়াত করে থাকে। এসব রুটে চলাচলের জন্য চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একমাত্র সড়কটি যেকোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ রুটের একাধিক বাস চালকরা জানান, চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে বাস ছেড়ে যাওয়ার সময় দুইটি বাস ওভারটেক করতে গিয়েই প্রতিনিয়ত নদীর পাশে থাকা বাসটি উল্টে যাওয়ার উপক্রম হয়। ফলে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়েই স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও যাত্রী সাধারণের বাসে চলাচল করতে হচ্ছে। বিষয়টি একাধিকার বাস মালিকদের জানানো সত্বেও বাসস্ট্যান্ডটি আজও স্থানান্তর করা হয়নি।

ফলে এসব রুটে চলাচলরত যাত্রী ও বাস চালকরা বড় ধরনের দূর্ঘটনার আগেই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ডটি স্থানান্তরের জন্য পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এমপি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলা নদীর আকস্মিক ভাঙনে ইতোমধ্যে চরকাউয়া খেয়াঘাট ও ফেরিঘাটসহ মুদি-মনোহরি, ওষুধের ফার্মেসী, কনফেকশনারি, কাঁচামালের দোকান, মাছের আড়ৎসহ প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে চরম হুমকির মুখে রয়েছে চরকাউয়া বাসষ্ট্যান্ড, চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কমিউিনিটি ক্লিনিকসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net