, ,

শিরোনাম :
বরিশালে মান্তা সম্প্রদায়ের জন্য হচ্ছে কবরস্থান ইলিশ ধরতে গিয়ে ‘নৌ-পুলিশের’ গুলিতে ঝাঁঝরা জেলের বুক, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় আইনজীবীর মৃত্যু, আহত ২ বিএম কলেজের ছাত্রাবাসে গভীর রাতে উত্তেজনা, মুখোমুখি ছাত্রদল ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিড়াল দিবস আজ মাতারবাড়ি বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন নয়: শফিকুর রহমান হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ আসামির তদন্ত কর্মকর্তার জেরা আজ পছন্দের ক্লিনিকে পরীক্ষা না করায় রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার বরিশালে হাসপাতালে খুলে পড়ল চলন্ত ফ্যান বিসিসি প্রশাসক শিরীনের সঙ্গে জিয়া মঞ্চের নবনিযুক্ত সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সজীবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বরিশালে মান্তা সম্প্রদায়ের জন্য হচ্ছে কবরস্থান

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক ::

নদীতে নৌকায় বসবাস করা বরিশালের মান্তা সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাফনসংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সদর উপজেলার সিংহেরকাঠী আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন প্রায় এক একর খাসজমিতে কবরস্থান নির্মাণের কাজ চলছে। এটি চালু হলে স্বজনদের দাফন নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পাবেন এই জনগোষ্ঠীর মানুষ।

নদীই যাদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন, মৃত্যুর পর তাঁদের দাফনের জন্যও ছিল না নির্দিষ্ট কোনো জায়গা। বরিশালের মান্তা সম্প্রদায়ের মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এবার তাঁদের সেই সংকট নিরসনে এগিয়ে এসেছে বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসন।

বরিশাল সদর উপজেলার লাহারহাট, চরবাড়িয়া ও আশপাশের নদ-নদীতে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বসবাস করছে মান্তা সম্প্রদায়। নৌকাকে কেন্দ্র করেই তাঁদের জীবনযাপন। নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন তাঁরা। এই জনগোষ্ঠীর অনেকেরই নেই স্থায়ী বসতভিটা।

জীবনের নানা প্রতিকূলতার পাশাপাশি মৃত্যুর পর স্বজনের মরদেহ দাফনের জায়গা খুঁজে পাওয়াও তাঁদের জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কবরস্থানের অভাবে স্বজন হারানোর শোকের মধ্যেও তাঁদের পড়তে হতো অনিশ্চয়তায়। কোনো কোনো সময় মরদেহ দাফনের জায়গা না পাওয়ায় নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতো।

এই সমস্যা সমাধানে বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় সিংহেরকাঠী আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন খাসজমিতে কবরস্থান স্থাপনের কাজ চলছে। প্রায় এক একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে কবরস্থানটি।

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা জানান, কবরস্থান স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অতি দ্রুত এটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মান্তা সম্প্রদায়ের মানুষের পাশাপাশি ছিন্নমূল যেকোনো মানুষও এই কবরস্থান ব্যবহার করতে পারবেন।

তিনি জানান, পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে উপজেলা প্রশাসন সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উপজেলাবাসীর সার্বিক সহযোগিতাও কাম্য।

কবরস্থানটি চালু হলে নদীনির্ভর মান্তা সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাফনসংকট অনেকটাই লাঘব হবে। স্বজনের শেষ বিদায়ের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা পাওয়ার মাধ্যমে এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের জীবনে তৈরি হবে নতুন এক ভরসার জায়গা।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net