নিজেস্ব প্রতিবেদক: নলছিটি উপজেলার সিদ্বকাঠী ইউনিয়নের দত্তবাড়ি নামক স্থানে মল্লিক বাড়িতে গতকাল বিকেল থেকে রহিমা খাতুন (2৬) নামের এক যুবতী অনশনরত অবস্থায় অবস্থান করছেন।
অনুসন্ধানে যানা যায় ‚ ভিরাট গ্রামের মোঃ মিঠু মল্লিক (2৮) পিতা:মৃত্যু মান্নান মল্লিকের সাথে দীর্ঘ ৩/৪ বছর পুর্বে বাখেরগঞ্জ উপজেলার বড়পাশা গ্রামের আবুল সিকদারের মেয়ে রহিমা খাতুনের সাথে মোবাইল ফোনে সখ্যতা গড়ে ওঠে।সম্পর্কের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর মেলামেশা সহ ভিবিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে তারা লিপ্ত হয়।এভাবে চলছে থাকে বেশকিছুদিন।হঠাৎ রহিমার বাবা তারই ভাইয়ের ছেলে খলিল সিকদার (প্রবাসী) সাথে তার বিবাহ দিয়ে দেন। বিয়ের 2/৩ মাস পরেই মিঠু মল্লিক অনবরত রহিমার মোবাইল ফোনে ফোন দিতে থাকে এবং ভিবিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সেই পুরনো সম্পর্কটা জোড়া লাগানোর জন্য রহিমাকে সারাক্ষণ বুজাতে থাকে।ওদিকে রহিমার স্বামী খলিল সিকদার দেশের বাহিরে থাকায় মিঠু মল্লিক রহিমার বাসায় প্রায় সময়ে আসা যাওয়া করতো।
একপর্যায়ে এক সন্তানের জননী রহিমাকে ভিবিন্ন রকমের প্রলোভন দেখিয়ে মিঠু মল্লিক রহিমার স্বামীকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য করায়।রহিমার বক্তব্যে হচ্ছে এই মিঠু আমারে আমার স্বামীর সাথে ডিভোর্স দেওয়াইছে এখন মিঠু আমারে বিয়ে করবে না বলে যানাইছে তাই আমি মিঠুর বাড়িতে চলে আসছি।
এদিকে এলাকাবাসী সুত্রে যানা যায় মিঠু মল্লিকের নামে এলাকায় মেয়ে সংক্রান্ত আরও অনেক অভিযোগ ভিবিন্ন রকমের অপকর্ম করে বেরাচ্ছে এই মিঠু। নিরিহ মেয়েদের সাথে সম্পর্ক করার পরে তাদের ভোগ করাই তার কাজ।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply