খবর বরিশাল ডেস্ক :
সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সরকারের দুই প্রতিমন্ত্রী।
দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর পেয়েছেন বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্ব। অন্যদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসান পেয়েছেন পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার দায়িত্ব।
নতুন এ দায়িত্বের আওতায় সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সরকারের চলমান কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি ও সমন্বয় করবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীরা। পাশাপাশি সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও সমন্বয় করার সুযোগ থাকবে তাদের।
সোহেল মঞ্জুরের দায়িত্বে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি
পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ সোহেল মনজুর বর্তমানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পিরোজপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী তাঁর তদারকির আওতায় থাকছে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলা। এসব জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনসেবা কার্যক্রমে সমন্বয় ও তদারকিতে তিনি ভূমিকা রাখবেন।
রাজীব আহসানের দায়িত্বে পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালী
বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাজীব আহসান পেয়েছেন পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার দায়িত্ব। তিনি সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফলে পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তিন জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সরকারি সেবা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব তাঁর ওপর বর্তাবে।
জনসেবায় জবাবদিহিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা
সরকারের এই দায়িত্ব বণ্টনের ফলে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয় আরও জোরদার হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে দুর্নীতি প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সরকারি প্রকল্পের মান নিশ্চিতকরণ, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা এবং জনগণের অভিযোগের দ্রুত প্রতিকার—এসব বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের তদারকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করাই হবে এ দায়িত্বের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
Leave a Reply