বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:৫২

শিরোনাম :
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন কাল, বড় ধাক্কার মুখে বিরোধী দল! টিনের চাল দিয়ে পড়ত পানি, কুঁড়েঘরে বেড়ে ওঠা ছেলেটি যেভাবে জাতীয় অঙ্গনের ফুটবলার বরিশালে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনের মুখে বিদ্যালয় পটুয়াখালীতে কমিটি দেওয়ার প্রতিবাদে যুবদল নেতা-কর্মীদের ঝাড়ুমিছিল পটুয়াখালীতে স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রতারিত হওয়ার স্বামীদের মানববন্ধন মুলাদীতে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজের উদ্বোধন বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় হামে দুই শিশুর মৃত্যু ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আদালতে মামলা চেয়ার-সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন নয় : হাইকোর্ট ৩০ বছরেও হয়নি সেতু, জীর্ণ বাঁশের সাঁকোই ৫ গ্রামের ভরসা

বরিশালে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনের মুখে বিদ্যালয়

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক :

বরিশালের বাবুগঞ্জে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণের দাবিতে বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে নদীতীরে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পশ্চিম ভূতেরদিয়া ও উত্তর বাহেরচর বাজার-সংলগ্ন ভাঙনকবলিত এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েকশ মানুষ অংশ নেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই সন্ধ্যা নদীর প্রবল স্রোতে এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রামের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ক্রমেই নদীর পাড় লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসছে।
ভাঙনের সরাসরি ঝুঁকিতে রয়েছে কেদারপুর ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী জানায়, বিদ্যালয়টি রক্ষা করা না গেলে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে ঘরবাড়ি হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শতাধিক দোকান নিয়ে গড়ে ওঠা বাজার এবং নদীতীরের অর্ধশতাধিক পরিবারের বসতবাড়িও ঝুঁকিতে রয়েছে। বাজারটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের কেনাকাটা ও ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উভয়েই ভোগান্তিতে পড়বেন।
স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় এ এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেয়। স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় বসতভিটা ও ফসলি জমি হারাচ্ছেন মানুষ। তবে এবারের ভাঙন আগের তুলনায় বেশি তীব্র।
একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নদীভাঙনে মানুষ শুধু বসতভিটাই হারাচ্ছেন না, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানও ঝুঁকিতে পড়ছে। তাই ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আগেই জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণের কাজ শুরু করতে হবে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নদীভাঙন তীব্র হয়। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, পর্যায়ক্রমিক ব্যবস্থার অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে বিদ্যালয়, বাজার ও বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার আগেই দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net