বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:১৪

শিরোনাম :
পোলট্রি, মৎস্য ও কৃষি খাত ধুঁকছে হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুই ওসির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ ভরাটের কবলে জলাশয়, হুমকিতে প্রাণ-পরিবেশ কেন দর্শনার্থী পাচ্ছে না বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘর? দালালমুক্ত হবে ভূমিসেবা: বরিশালের ডিসির আশ্বাস হাঁটু মেঝেতে, জানালার গ্রিলে বাঁধা ছিল অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উজিরপুরে ক্লাস চলাকালে মাথায় পড়লো ছাদের পলেস্তারা, শিক্ষক আহত কালো ধোঁয়ায় দমবন্ধ জীবন, টায়ার রিসাইক্লিং প্লান্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান! পটুয়াখালী ৮ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় মহাসড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ
পলাশপুর মাদ্রাসা ভবন নির্মানের কাজ অর্থের অভাবে চলছে ধীরগতিতে

পলাশপুর মাদ্রাসা ভবন নির্মানের কাজ অর্থের অভাবে চলছে ধীরগতিতে

dynamic-sidebar

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দক্ষিন বাংলার অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (এমপি) এর প্রদান কৃত অনুদানের টাকায় দ্রুত গতিতে মাদ্রাসা নির্মানের কাজ এগিয়ে চললেও বর্তমানে অর্থের অভাবে বরিশাল নগরীর ৫নং ওয়াড পলাশপুরের ৭নং গলিতে অবস্থিত রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদরাসা ও লিল্লাহ বোডিং এর নবনিরমিত ভবনের কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছে মাদ্সাটির প্রতিষ্টাতা ও পরিচালক মো:নুরুল ইসলাম ফিরোজী। চার তলা ভিত সম্বলিত ভবনটির জন্য জমি ক্রয়,পিলার স্থাপন সহ সেফটি টেংকির কাজ উঠার সিড়ি সমাপ্তির পথে। তবে সরকার প্রদত্ত টাকার সিংহ ভাগ ইতি মধ্যে জমি ক্রয় সহ সম্পন্ন হওয়া নিরমান কাজের পিছনেই ব্যায় হয়ে গেছে।এ কারনে নতুন করে শংকিত হয়ে পরেছে মাদ্রাসার কতৃপক্ষ। এতিম শিশুদের বসবাস উপযোগী করে গড়ে তুলতেও আরো অনেক অর্থের প্রয়োজন। আর এজন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের দানশীল ব্যাক্তিদের এগিয়ে আসা উচিত বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন মাদ্রসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী। তিনি আরো বলেন এ মাদ্রাসায় প্রায় শতাধিক এতিম শিশু খুব কস্ট করে মোহাম্মদপুরে আমার’ই প্রতিষ্ঠিত মহিলা মাদ্রাসায় অবস্থান করছে।

অতি দূরত তাদের মূল মাদ্রাসায় হস্তান্তর করা দরকার। আর এজন্য মাদ্রসার ভবন নিরমান কাজ তারাতারি শেষ করা প্রয়োজন। কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি আরো বলেন,মাদ্রাসাটির জমি ও ভবন নির্মানের জন্য ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (এমপি)। মনে করি ছিলাম এই টাকা দিয়েছে কাজ সম্পূর্ন হবে। কিন্তু ৪ তলা ফাউন্ডেশন নেওয়ায় এবং কি জমি ও নির্মাধীন ভবনের নিচে ফাউন্ডেশন নিতেই টাকা চলে গেছে। তাই কাজের মাঝ পথে পড়েছি টেনশনে। বাকি কাজ কি ভাবে শেষ করবো। তা জানি না। সমাজের দানশীল ব্যাক্তিরা যদি মাদ্রাসাটির উন্নয়নের কাজের দিকে একটু এগিয়ে না আসলে মাঝ পথে কাজটি বন্ধ হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত ৪ বছর পূরবে কোনো সরকারি বেসরকারি অনুদান ছাড়াই অত্র মাদরাসা ও এতিমখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় শতাধিক এতিম শিশু মাদ্রসাটিতে বিনামুল্যে থাকা খাওয়ার পাশাপাশি দ্বীনি ইসলামি শিক্ষা গ্রহন করছে । এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে পত্র পত্রিকায় সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র । এরপরে তিনি স্বশরীরে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দল্লাহ,সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস সহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে মাদ্রাসাটি পরিদর্শন করে এতিম শিশুদের দূরাবস্থা দেখে ব্যাথিত হন এবং জেলা পরিষদের মাধ্যমে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় এই অনুদান অপ্রতুল বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net