স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল বিমানবন্দর থানার এস আই মাঈনুল এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে বরিশালের মাধবপাশা ইউনিয়নের সাধারন মানুষ। গতকাল সকালে পুলিশী বাধা উপেক্ষা করে মাধবপাশা বাজারে সাধারন মানুষ মানববন্ধনে অংশ্য নেয়। ঘুষ, চাঁদাবাজী ও নারী কেলেংকারীর অভিযোগ এনে এবং এসআই মাঈনুলের বিচার দাবী জানিয়ে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে আসা সাধারন মানুষ জানায়, বিমানবন্ধর থানার এসআই মাঈনুল বিভিন্ন সময় সাধারন মানুষকে হুমকী দিয়ে ও নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়। একই সাথে একটি নিদিষ্ট সময়ে এসে চাঁদার টাকা নিয়ে যেত। সাধারন ব্যবসায়ী হওয়ার কারনে পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস ছিলোনা। কিন্তু যখন পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই নারী কেলেংকারীতে যুক্ত। তখন এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো কি করতে পারে তা বলা বাহুল্য। মানববন্ধনে আসা সাধারন মানুষ আরো অভিযোগ করেন, মাদবপাশা বাজারে সবাই এস আই মাঈনুলকে এক নামে চেনে। আমরা তার কারনে আতঙ্কে দিন কাটাতাম। তাকে টাকা না দিলে ব্যবসা করা যাবেনা। একই সাথে দাবীকৃত টাকা না দিলে বিভিন্ন মামলায় আসামী করে জেলে ঢুকিয়ে দেয়াও হুমকী প্রদান করে। তাদের দাবী যাতে এসআই মাঈনুরের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। তবে সাধারন মানুষের মধ্যে সস্তি ফিরে আসবে। জনাযায় স্ত্রী জেবুন্নেছা জামালের পরোকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় স্বামী ব্যাবসায়ী শামীম তালুকদারকে পরোকীয়া প্রেমিক পুলিশের এসআই মাইনুল ইসলাম জীবন নাশের হুমকী দিয়েছে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ৮ বছর বয়সী শিশুকে সাথে নিয়ে গত শনিবার বেলা সাড়ে ১ টায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী স্বামী ব্যাবসায়ী মো. শামীম তালুকদার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বরিশাল বিমান বন্দর থানার এসআই মাইনুল ইসলাম এর সাথে তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক ধরে ফেলায় তাকে প্রাননাশের হুমকী প্রদান করা হচ্ছে। গত ২০০৭ সালে তার সাথে জেবুন্নেছা জামালের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ৮ বছর বয়সী পূত্র সন্তান রয়েছে। গত ৩/৪ বছর পূর্বে এসআই মাইনুল ইসলাম’র সাথে তার বন্ধুত্ব সম্পার্ক হয়। এরই সূত্র ধরে মাইনুল তার বাড়ীতে আসা যাওয়া করে। সন্তানের লেখাপড়া করানোর সুবাদে বাবুগঞ্জের মাধবপাশা থেকে বরিশাল শহরে আসেন তারা। আর তখন থেকেই তার স্ত্রী জেবুন্নেছা জামালের সাথে মাইনুলের অবৈধ সম্পাক হয়। এ নিয়ে গত ৬মাস পূর্বে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ হয়। ফলে সন্তানকে নিয়ে স্ত্রী জেবুন্নেছা জামান বরিশাল নগরীর গোরস্থান রোডস্থ খাদিজা মঞ্জিলে থাকতেন। গত ৬ মাস ধরে ওই বাসার ভাড়াও পরিশোধ করতে এসআই মাইনুল। সর্বশেষ গত ১ আগষ্ট ব্যবসায়ী ওই বাড়ীতে প্রবেশ করে তার স্ত্রী ও এসআই মাইনুলকে আপক্তিকর অবস্থায় দেখে বাহির থেকে দরড়ায় তালা ঝুলিয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ খবর দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ২ আগষ্ট বিমান বন্দর থানা থেকে এসআই মাইনুলকে পুলিশ লাইনস ক্লোলজ করে নিয়ে আসা হয়। আর এর পর থেকেই এসআই মাইনুল ইসলাম তাকে অব্যাহত জীবন নাশের হুকমী দিয়ে আসছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাই তিনি সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল মেট্রোপলিটনেসর পুলিশ কমিশনারের কাছে এসআই মাইনুলের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে পিতা শামীম তালুকদারের সাথে আসা শিশু পুত্র সাদমিন (৮) বলেন পুলিশ আংকেল দিনে-রাতে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করেন এমনকি রাতে বাসায় ঘুমাতেন সাদমিন মায়ের সাথে থাকতে চান না। সাদমিন পিতা শামীম তালুকদারের সাথে থাকতে চায়। এস আই মাইনুলকে গত ১লা আগস্ট শামীম তালুকদার স্থানীয় জনতা ও কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ নিয়ে এস আই মাইনুলকে আটক করে সেদিন সাদমিন এয়ারপোর্ট থানার এসি ফরহাদ সরদারের নিকট সাদমিন জবানবন্দী দিয়েছিল মাইনুলের বিরুদ্বে। সংবাদ সম্মেলনই নয় এসআই মাঈনুলের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply