বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:১৭

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাগরে জলদস্যুর হামলায় ১২ জেলে আহত জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে : তথ্যমন্ত্রী জুলাই বর্ষপূর্তিতে বরিশালে ১১ দলের সমাবেশ জুলাই সনদ নিয়ে প্রতারণার চেষ্টা হলে পরিণতি ভালো হবে না: ফয়জুল করীম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বিএম কলেজ থেকে শিবির কর্মীদের বের করে দিলো ছাত্রদল পটুয়াখালীতে যৌনকর্মীর ঘরে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ ঝালকাঠি নতুন কার্পেটিং সড়ক কেটে কালভার্ট নির্মাণ
ভালো আছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একত্রে ভূমিষ্ট হওয়া ৩ কন্যা শিশু

ভালো আছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একত্রে ভূমিষ্ট হওয়া ৩ কন্যা শিশু

dynamic-sidebar

ভালো আছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভূমিষ্ট হওয়া
মিজানুর রহমান প্যাদা ও রোজিনা বেগম দম্পতির তিন কন্যা সন্তান।
যারা সোমবার সন্ধ্যায় একত্রে পৃথিবীর আলোর মুখ দেখতে পান।
ভূমিষ্ট হওয়ার পর ওজন কম হওয়ার কারনে নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তাদের।
এর সেখানে দুই দিনের চিকিৎসা শেষে আজ শিশুরা অনেকটা ভালো আছেন বলেই
জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি শিশুদের মাও ভালো রয়েছেন।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পূর্ব নলুয়াবাগী এলাকার বাসিন্দা ও দর্জি
মিজানুর রহমান প্যাদার স্ত্রী রোজিনা বেগম (২৮)।
মাসখানেক পরে ডেলিভারির নির্ধারিত তারিখ থাকলেও শারিরীক অসুস্থতার কারনে
১৪ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রোজিনা বেগমকে।
সেখানে থেকে ১৮ তারিখে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করেন স্বজনরা।
মিজানুর রহমান প্যাদা জানান, এখানে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ২৫ সেপ্টেম্বর
সন্ধ্যায় জরুরী অস্ত্রপাচারের কথা জানান। তাৎক্ষনিক অস্ত্রপাচারের
মাধ্যমে তিন শিশু কন্যা সন্তানের মুখ দেখতে পারেন তারা। যাদের একজনের ওজন ছিলো ১ কেজি ৭ শত গ্রাম, একজনের ১ কেজি ৫ শত গ্রাম ও একজনের ১ কেজি ২ শত গ্রাম।
ভুমিষ্ট হওয়ার পরপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিন শিশুকেই হাসপাতালের
নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিসক সহযোগী অধ্যাপত ডাঃ তাহসিনুল আমিন
বলেন, শিশুরা এখন অনেকটাই ভালো রয়েছেন, তাদের চিকিৎসার বেশিরভাগ সামগ্রী হাসপাতাল থেকে দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আর যদি দামী কোন কিছুর
প্রয়োজন দেখা দেয় তবে সমাজকল্যান থেকে তার ব্যবস্থা করা হবে।
তবে মিজানুর রহমান প্যাদা বলেন, তাদের সংসারে ইতিমধ্যে ১ ছেলে ও ১ কন্যা
সন্তান রয়েছে। অভাবের সংসারে নতুন করে তিন সদস্যের আগমনে অনেকটাই খুশি তারা। তবে বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটের কারনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখন সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে তাদের।

 

 

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net