ভালো আছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভূমিষ্ট হওয়া
মিজানুর রহমান প্যাদা ও রোজিনা বেগম দম্পতির তিন কন্যা সন্তান।
যারা সোমবার সন্ধ্যায় একত্রে পৃথিবীর আলোর মুখ দেখতে পান।
ভূমিষ্ট হওয়ার পর ওজন কম হওয়ার কারনে নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তাদের।
এর সেখানে দুই দিনের চিকিৎসা শেষে আজ শিশুরা অনেকটা ভালো আছেন বলেই
জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি শিশুদের মাও ভালো রয়েছেন।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পূর্ব নলুয়াবাগী এলাকার বাসিন্দা ও দর্জি
মিজানুর রহমান প্যাদার স্ত্রী রোজিনা বেগম (২৮)।
মাসখানেক পরে ডেলিভারির নির্ধারিত তারিখ থাকলেও শারিরীক অসুস্থতার কারনে
১৪ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রোজিনা বেগমকে।
সেখানে থেকে ১৮ তারিখে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করেন স্বজনরা।
মিজানুর রহমান প্যাদা জানান, এখানে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ২৫ সেপ্টেম্বর
সন্ধ্যায় জরুরী অস্ত্রপাচারের কথা জানান। তাৎক্ষনিক অস্ত্রপাচারের
মাধ্যমে তিন শিশু কন্যা সন্তানের মুখ দেখতে পারেন তারা। যাদের একজনের ওজন ছিলো ১ কেজি ৭ শত গ্রাম, একজনের ১ কেজি ৫ শত গ্রাম ও একজনের ১ কেজি ২ শত গ্রাম।
ভুমিষ্ট হওয়ার পরপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিন শিশুকেই হাসপাতালের
নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিসক সহযোগী অধ্যাপত ডাঃ তাহসিনুল আমিন
বলেন, শিশুরা এখন অনেকটাই ভালো রয়েছেন, তাদের চিকিৎসার বেশিরভাগ সামগ্রী হাসপাতাল থেকে দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আর যদি দামী কোন কিছুর
প্রয়োজন দেখা দেয় তবে সমাজকল্যান থেকে তার ব্যবস্থা করা হবে।
তবে মিজানুর রহমান প্যাদা বলেন, তাদের সংসারে ইতিমধ্যে ১ ছেলে ও ১ কন্যা
সন্তান রয়েছে। অভাবের সংসারে নতুন করে তিন সদস্যের আগমনে অনেকটাই খুশি তারা। তবে বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটের কারনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখন সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে তাদের।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply