সোমবার, ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:৩৭

শিরোনাম :
ভোলা-বরিশাল সেতু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সহজ হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৩ নেতাকে মারধর! বিক্ষোভের মুখে এবার বরিশালের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহার লোডশেডিং ও ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ মেহেন্দিগঞ্জবাসী বানারীপাড়ায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত অন্তত ২০ বরিশালের ৬ রুটে চলছে বাস ধর্মঘট, যাত্রীদের ভোগান্তি জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জীবনের অনুপ্রেরণা : বরিশাল সিটি প্রশাসক আদালতের নির্দেশে ২৮টি চোরাই গরু নিলামে বিক্রি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ মাস পর গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক

ভোলা-বরিশাল সেতু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সহজ হবে

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক : ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মিত হলে ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছে সরকার। এর ফলে শিল্পায়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩৩ সালের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
বাংলাদেশ সেতু বিভাগ ও পিপিপি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীতে অনুষ্ঠিত অষ্টম বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের সভায় ভোলা-বরিশাল এবং শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু প্রকল্পকে নতুন অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সভায় জাপানি প্রতিষ্ঠানটি দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আগ্রহ প্রকাশ করে।
পিপিপি মডেলে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত দুটি প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ভোলা-বরিশাল সেতুর সম্ভাব্য ব্যয় ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। পিপিপি নীতিমালা অনুযায়ী, ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।
সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১০ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার। নির্মাণ শেষ হলে এটি হবে দেশের দীর্ঘতম সেতু। এর মাধ্যমে দ্বীপজেলা ভোলার সঙ্গে বরিশালের স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
২০২৪ সালে সম্পন্ন হওয়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সেতুটি চালু হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে। আগামী ৩০ বছরে প্রকল্পটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রায় ০.৮৬ শতাংশ অবদান রাখতে পারে বলেও সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সেতু নির্মাণের মাধ্যমে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর হবে। এতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং গ্যাসনির্ভর শিল্পের সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। বর্তমানে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে ট্রানজিশন পরামর্শক নিয়োগ, সম্ভাব্যতা যাচাই এবং রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি) আহ্বানের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net