বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০৬

শিরোনাম :
বরিশালের ‘গডফাদার’ হাসানাত আব্দুল্লাহ এখন কোথায়? বরিশাল থেকে যেন কোন রোগীকে ঢাকায় যেতে না হয়: ড. জিয়া উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাগরে জলদস্যুর হামলায় ১২ জেলে আহত জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে : তথ্যমন্ত্রী জুলাই বর্ষপূর্তিতে বরিশালে ১১ দলের সমাবেশ জুলাই সনদ নিয়ে প্রতারণার চেষ্টা হলে পরিণতি ভালো হবে না: ফয়জুল করীম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বিএম কলেজ থেকে শিবির কর্মীদের বের করে দিলো ছাত্রদল
মঠবাড়িয়ায় ওসির ওপর হামলার ঘটনায় ১৩ জন কারাগারে প্রেরন

মঠবাড়িয়ায় ওসির ওপর হামলার ঘটনায় ১৩ জন কারাগারে প্রেরন

dynamic-sidebar

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী লঞ্চঘাটে শনিবার সন্ধ্যায় শ্রমিকলীগ অফিস ও দোকান ভাঙচুর চলাকালে হাবিব হত্যা মামলার আসামি পক্ষের সহযোগীদের হামলায় মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ওসির ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে রোববার বিকেলে থানায় মামলা হয়েছে।

আহত থানা পুলিশের ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩৮ জন এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ২৫ জনকে আসামি করে এ মামলা করেন। এ ঘটনায় ১৩ জন কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ শনি ও রোববার রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার পর থেকে তুষখালী লঞ্চঘাট ও বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন- সুমন (৩৫), ইসাহাক বয়াতী (৩৩), নাজমুল হোসেন (২২), ইদ্রিস বয়াতী (২৮), রুবেল মিয়া (২৫), রুবেল আকন (২৬), জুবায়ের (২৮), মনির মাতুব্বর (৪০), ইসমাইল (২৩), নজরুল (৩৬), মনির হাওলাদার (২৮), চন্দন মিত্র (২৮) ও হরিণ পালার মিলন (২৫) এদের অধিকাংশের বাড়ি পাশের ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা ও গোলবুনিয়া গ্রামে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উদয়তাঁরা বুড়িরচর গ্রামের চাঞ্চল্যকর বিএনপি নেতা হাবিব তালুকদার হত্যা মামলার আসামি হিমু তালুকদারের মেয়ে ডা. তানিয়া ও জামাতা ব্যবসায়ী সলিম পঞ্চায়েতের সঙ্গে শনিবার স্থানীয় তুষখালী লঞ্চঘাট এলাকায় নিহত হাবিবের ছেলে প্রবাসী মানিকের বাকবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।

এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। থানা পুলিশ খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল লঞ্চঘাটে গেলে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রতিপক্ষ হরিণপালা গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে সুমনের নেতৃত্বে ৬০/৭০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্থানীয় শ্রমিকলীগ অফিস ও নিহত হাবিবের স্বজনদের চারটি দোকান ভাঙচুর করে।

এ সময় থানা পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষরা গ্রেফতার দুইজনকে ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম আহত হন।

মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত ও সরকারি কাজে বাধা দানের অভিযোগে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ১৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net