শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:০৮

শিরোনাম :
শহীদ জননী সাহান আরা আব্দুল্লাহ’র কবর জিয়ারত করলেন যুববন্ধু আরিফিন মোল্লা

শহীদ জননী সাহান আরা আব্দুল্লাহ’র কবর জিয়ারত করলেন যুববন্ধু আরিফিন মোল্লা

dynamic-sidebar

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়  প্রধানমন্ত্রীর প্রিয় ও আস্থাভাজন নিকট  আত্মীয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক, দক্ষিণ বাংলার রাজনৈতিক অভিভাবক জননেতা মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ এমপির সহধর্মিণী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্’র মাতা,

কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য ও  বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহান আরা বেগম’র রুহের মাগফিরাত কামনায় কবর জিয়ারত করেছেন বরিশাল-৫ সদর আসনের সাবেক সাংসদ পদপ্রার্থী আরিফিন মোল্লা।

 

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বরিশাল মুসলিম কবরস্থানে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কালরাতের প্রত্যক্ষদর্শী,  শহীদ সেরনিয়াবাত সুকান্ত আব্দুল্লাহ’র মাতা,  সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাহান আরা বেগমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক  যুববন্ধু আরিফিন মোল্লা।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আরিফিন মোল্লার ছোট ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার অহেদ সালেহীন মুন্না মোল্লা, চাচা মোঃ জামাল মোল্লা, শিক্ষক নেতা প্রভাষক আমিনুর রহমান শামীম, ব্যক্তিগত সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ জসিম, রাসেল সহ তার সহকর্মীবৃন্দ।

 

সাহান আরা আব্দুল্লাহ ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ জননী।  একজন নীরব দক্ষ সংগঠক হিসেবে যিনি ধূপের মতো নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সংগঠন ও তাঁর স্বামী আলহাজ্ব আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ’র রাজনৈতিক অনুপ্রেরণায়।

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার সহ সাহান আরা আব্দুল্লাহ’র শ্বশুর, বাংলার কৃষক কূলের নয়নের মনি, সাবেক মন্ত্রী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তার ননদ শহীদ বেবী সেরনিয়াবাত, বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সুকান্ত আব্দুল্লাহ সহ অন্যান্য আত্মীয় স্বজনকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সেই রাতে ঢাকার ২৭ মিন্টো রোডস্থ  শশুর বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসভবনে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে ছিলেন মহীয়সী নারী সাহান আরা বেগম।

 

১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে  বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বয়স তখন দেড় বছর। এই সাহসী নারী সেদিন নিজে গুলিবিদ্ধ হয়েও মৃত্যুযন্ত্রণা সহ্য করে সন্তানকে বাঁচাতে শাড়ীর আঁচলের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন। খুনিরা মৃত ভেবে হতাহত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়ায় এবং মহান আল্লাহ’র অশেষ রহমতে বেঁচে ছিলেন সাহান আরা বেগম।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net