শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:১৭

শিরোনাম :
বরিশালে স্কুল ফিডিংয়ে পচা কলা-বাসি ডিম গৌরনদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারাল নুরু শিকদারের পরিবার হিজলায় পুকুরে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা, সমালোচনার ঝড় টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক উজিরপুরে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বৃত্ত ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত বাকেরগঞ্জে বৈদ্যুতিক তার চোরের উৎপাত, বাদ যাচ্ছে না ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরিশালে নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হানের যোগদান বরিশালে র‌্যাবের চেকপোস্টে যাত্রীবাহী বাস থেকে মাদকসহ আটক ১ শিবির করায় ববির চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে ছাত্রদলের মারধর অতপর চাকরিচ্যুত
১৮০ ডিগ্রি কোণে ঘুরছে মাথা!

১৮০ ডিগ্রি কোণে ঘুরছে মাথা!

dynamic-sidebar

আমাদের মস্তিষ্কের কেন্দ্রে রয়েছে কতগুলো গহ্বর বা ভেন্ট্রিকল, যেখান থেকে প্রতিদিন ৪৫০ সিসি পরিমাণ সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড বা মস্তিষ্কের বিশেষ তরল তৈরি হয়। এর মধ্যে ৩০০ সিসি পানি নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হয়ে রক্তে মিশে যায় আর বাকি পানিটুকু মস্তিষ্কের ভেতর-বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। যদি কোনো কারণে এই পানিপ্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যায় বা অতিরিক্ত পানি তৈরি হতে থাকে, তখন তা জমে মাথা বড় হয়ে যায়। এই পানির চাপে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বা পাতলা হয়ে যেতে থাকে। প্রতি ১০ হাজার নবজাতকের মধ্যে দুই থেকে পাঁচজন এই রোগ নিয়ে জন্মাতে পারে।

যেসব কারণে পানি চলাচলের পথ সরু বা বন্ধ হতে পারে, সেগুলো হলো জন্মগত ত্রুটি, মাতৃগর্ভে থাকাকালে সংক্রমণ, মস্তিষ্কের সংক্রমণ বা মেনিনজাইটিস, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী কোনো টিউমার, সিস্ট ইত্যাদি।

তবে এবার পাকিস্তানে এমন এক শিশুর খোঁজ মিলেছে যে, তার মাথা সম্পূর্ণ অপর পাশে ঘুরে যায়। সবসময় তার মাথা ১৮০ ডিগ্রি কোণে বাঁকানো থাকে। পাকিস্তানের মিথিতে এই মেয়ের জন্ম। নাম তার তাফসিন।

তাফসিনের জন্মের সময় সম্পূর্ণ সুস্থভাবে পৃথিবীতে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু মাত্র ৮ মাস বয়সে তাফসিন বাহিরে খেলতে গিয়ে পড়ে যান। এসময় তাফসিনের ঘাড়ে আঘাত লাগে। আর্থিক সমস্যা থাকার ফলে তার পরিবার তাকে ভাল ডাক্তারের নিকট নিয়ে যেতে পারেন নি। কিন্তু স্থানীয় কিছু হাতুড়ে ডাক্তার দেখিয়েছিলেন। কিন্তু তখন থেকে তার ঘাড় আর ঠিক হয়নি।

এখন দিনের পর দিন তাফসিনের অবস্থা শুধু খারাপের দিকে যাচ্ছে। সে এখন স্কুলে যেতে পারে না। ঠিকমত হাঁটতে পারে না, নিজের কাজ নিজে করতে পারে না। নিজে নিজে খেতেও পারে না। গ্রামের শিশুরা তাকে দেখে ভয় পায় এবং এলাকার লোকেরা মনে করেন কোন পাপের কারণে তার এই দশা।

পরিশেষে তাকে এক ডাক্তারের নিকট নেয়া হলে জানা যায়, তার ঘাড়ের হাড়ে সমস্যা হয়েছে। তবে এখন অপারেশন করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তবে এতে অনেক টাকার প্রয়োজন, যা তার পরিবারের সামর্থ্যের বাহিরে। তাফসিনের পরিবার সরকারের নিকট এই ব্যাপারে টাকা চেয়েছেন। এতকিছুর পরও তাফসিনের পরিবার আশাবাদী সে ভাল হয়ে নিরাপদ জীবনযাপন করবে। তাফসিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক, এটাই সকলের কাম্য।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net