শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:৫৯

শিরোনাম :
লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা, সমালোচনার ঝড় টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক উজিরপুরে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বৃত্ত ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত বাকেরগঞ্জে বৈদ্যুতিক তার চোরের উৎপাত, বাদ যাচ্ছে না ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরিশালে নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হানের যোগদান বরিশালে র‌্যাবের চেকপোস্টে যাত্রীবাহী বাস থেকে মাদকসহ আটক ১ শিবির করায় ববির চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে ছাত্রদলের মারধর অতপর চাকরিচ্যুত বরিশালের ‘গডফাদার’ হাসানাত আব্দুল্লাহ এখন কোথায়? বরিশাল থেকে যেন কোন রোগীকে ঢাকায় যেতে না হয়: ড. জিয়া উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ

উজিরপুরে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বৃত্ত ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক : বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে ১০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত প্রায় ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অব্যয়িত এ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। সরকারি প্রকল্পের অর্থ সাশ্রয় করে তা ফেরত দেওয়ার এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গুঠিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০ কিলোমিটার খাল খননের জন্য সরকার দুই কোটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেনের বাস্তবায়নে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়। কাজ শেষ হওয়ার পর হিসাব-নিকাশ করে প্রায় ৬০ লাখ টাকা অব্যয়িত থাকে। পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা বলেন, “খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ জনগণের করের টাকা। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত ছিল, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকার এই অর্থ দেশের অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারবে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকার যে দায়িত্বই প্রদান করুক না কেন, তা সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। সরকারি প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ পুরোপুরি ব্যয় করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; বরং প্রকল্পের নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহির একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

উল্লেখ্য, উজিরপুরে যোগদানের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। সাতলার লাল শাপলার বিলকে ঘিরে পর্যটন সম্ভাবনার বিকাশ, সন্ধ্যা নদীতে নৌকা বাইচ আয়োজন, মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং কিশোর-তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে নানা উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি আলোচনায় আসেন।

এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের পড়াশোনা ও শিক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার উদ্যোগও নেন তিনি। প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার এমন জনসম্পৃক্ততামূলক কর্মকাণ্ডকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net