ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলা জেলার সদর উপজেলার ৫নং বাপ্তা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর ওরফে চোর জাহাঙ্গীরের গাঁজা ব্যাবসা জমজমাট হয়ে উঠছে। জাহাঙ্গীর একই ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নানের ছেলে। সূত্র জানায়, তিনি বাপ্তা ইউনিয়নের এক সময়রের নামকরা চোর থাকায় চোর জাহাঙ্গীর নামেই পরিচিত এলাকাবাসীর কাছে। ভোলা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ যখন ভোলাকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করেছেন ঠিক তখনই জাহাঙ্গীর বাপ্তা ইউনিয়নের যুব সমাজকে ধংসের লক্ষ্যে বসিয়েছে মাদকের হাট। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানায়, জাহাঙ্গীর এলাকার যুব সমাজকে দিয়ে জোড় পূর্বক মাদক বিক্রি করায়। আর জাহাঙ্গীরের কথা মতো কেউ মাদক বিক্রি করতে অনিচ্ছা জানালে তার উপর চলে স্টিম রোলার। মাদক দিয়ে তাকে ধরিয়ে তার উপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে জাহাঙ্গীরের উপর। বাপ্তা ইউনিয়ন সহ আশে পাশে এলাকায় গাঁজা, ফেন্সি, ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রির মূল হোতা হিসেবে এখন সবার কাছে পরিচিত এই জাহাঙ্গীর। এলাকার কাউকে তোয়াক্কা না করে জাহাঙ্গীরের মাদক বিক্রি এখন ওপেন সিক্রেট। চুরি ছেরে মাদকে পা দিতেই জাহাঙ্গীরের আঙ্গুল ফুলে যেন কলা গাছ হয়ে উঠছে। জানা যায়, মাদক বিক্রি শুরু করার কিছু দিনের ভিতরেই বাপ্তা ইউনিয়নের বেশিরভাগ জায়গায় রাতারাতি গড়ে তুলেছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান। সেসব প্রতিষ্ঠানকে সামনে রেখে ভিতরে মাদক বিক্রি করছে জাহাঙ্গীর। আর এই প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে তার ছেলে আল-আমীন। জাঙ্গীরের কাছে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ভালো লাগে তাই এসব করি, ঐসব নিউজ করলে আমার কোন লাভ হবে না। আমি আওয়ামীলীগের বড় বড় নেতা ও পুলিশের কর্তাবাবুদের টাকা দিয়েই ব্যাবসা করছি। এদিকে এলাকাবাসী এই মাদকব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোড় দাবী জানিয়ে বলেন, জাহাঙ্গীর এলাকায় যা শুরু করেছেন তাতে এই এলাকায় আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে থাকা মুসকিল হয়ে পরছেন। জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়ারজন্য জননেতা তোফায়েল আহমেদ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply