বরিশাল নগরের রুপাতলী বাস টার্মিনালের বাহিরে কাউন্টার সরিয়ে দেয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। সকালে ওই ঘটনায় বাস চলাচল বন্ধ করার ঘোষনা দেয়া হলেও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, রুপাতলী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় বাকেরগঞ্জ রুটের একটি টিকেট কাউন্টার রয়েছে। কোন প্রকার নোটিশ না দিয়েই মঙ্গলবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক সার্জন মো. রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন সদস্য কাউন্টারটি সরিয়ে নিতে বলে। যা নিয়ে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে বাক-বিতান্ডা হয়। তবে বাস শ্রমিকরা দাবী করেছেন ওই কাউন্টারে দায়িত্বরত ক্লার্ক ইমরান হোসেনকে লাঞ্চিত ও কাউন্টারের আসবাবপত্র ফেলে দেয় পুলিশের সদস্যরা। এতে বাস শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে মুহুর্তেই রুপাতলী থেকে সকল রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে শ্রমিক ও মালিক সমিতিরি নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে অল্প সময়ের মধ্যেই
বাস চলাচল স্বাভাবিক করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। এ বিষয়ে রুপাতলীস্থ মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন জানান, সড়কের পাশের ওই কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠানো হয়। যাত্রী ওঠাতে একটু সময় লাগে তাতে নাকি যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে কাউন্টারে দায়িত্বরতদের ওপর ট্রাফিক পুলিশের সদস্য রফিকুল ইসলাম চড়াও হন এবং পরিস্থিতি ঘোলাটে। যদিও পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি তাৎক্ষনিক শান্ত করা হয়। তবে একই সড়কে মাহিন্দ্রাসহ থ্রি-হুইলার রেখে যাত্রী তোলায় প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হলেও সেখানে কারো নজর নেই এটা হতাশাজনক। এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তম পাল জানান, কাউন্টারের কারনে যান চলাচল ব্যহত হওয়ায় সেটিকে সরিয়ে নিতে বলা হলেও তা সড়ানো হচ্ছিলো না। সেটি সরাতে গেলে শ্রমিকরা ভুল বোঝে, তবে এটি সামান্য ঘটনা, যা তাৎক্ষনিক ঠিক হয়ে গেছে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply