, ,

শিরোনাম :
একসময়ের মুখর স্টিমার ঘাটে এখন নিস্তব্ধতা গ্যাস সংকটে গতি নেই বরিশাল বিসিকে ভোলা-বরিশাল সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বরিশাল অঞ্চলজুড়ে রান্নার গ্যাসের অগ্নিমূল্যে হতাশ ও ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণকারী যুবদল নেতা জি. এম. মনিরের পরিবারের পাশে যুবদল বরিশাল সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যৌথ গবেষণা প্রস্তাব হস্তান্তর স্কুলে যাওয়ার কথা বলে ঢাকায় ৩ স্কুলছাত্রী, কারখানা থেকে উদ্ধার ববির মেডিকেল সেন্টার নির্ধারিত সময়ের আগে বন্ধ করায় দপ্তরপ্রধানকে শোকজ বরিশালে সাবেক শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে সাত দিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১,৪০০

একসময়ের মুখর স্টিমার ঘাটে এখন নিস্তব্ধতা

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক :

একসময় স্টিমারের হুইসেলে মুখর থাকত পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া ঘাট। বলেশ্বর নদ পেরিয়ে স্টিমার ভিড়লেই ব্যস্ত হয়ে উঠত ঘাট। কেউ আসতেন প্রিয়জনকে বিদায় দিতে, কেউ অপেক্ষা করতেন নৌযানে ওঠার জন্য। যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল ঘাটটি।

 

এখন সেই দৃশ্য নেই। স্টিমার চলাচল বন্ধ হয়েছে অনেক আগেই। এবার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ঘাটের পন্টুনও। ফলে বড়মাছুয়া স্টিমারঘাট থেকে মুছে গেল নৌযুগের দৃশ্যমান শেষ স্মৃতিচিহ্ন।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে বড়মাছুয়া স্টিমারঘাট চালু হয়। একসময় পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের নৌপথে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এটি। ঢাকা ও বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতেও অনেকে এ ঘাট ব্যবহার করতেন।

 

 

স্টিমার ঘাট ঘিরে ওই এলাকায় গড়ে উঠেছিল ব্যবসা-বাণিজ্য। নৌযান ভিড়লেই বাড়ত মানুষের আনাগোনা। যাত্রীদের মালপত্র ওঠানো-নামানো, স্বজনদের বিদায় জানানো আর নৌযানে ওঠার অপেক্ষায় ঘাটে থাকত কর্মচাঞ্চল্য।

২০০৯ সালে নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে যাত্রীদের নিরাপদে ওঠা-নামার জন্য এখানে পন্টুন ও বেইলি সেতু স্থাপন করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্টিমার চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ঘাটের ব্যস্ততাও কমে যায়। তবে দীর্ঘদিন পন্টুনটি পড়ে ছিল। সম্প্রতি সেটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

 

 

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা এমাদুল হক বলেন, ছোটবেলা থেকেই এই ঘাটে স্টিমারের আসা-যাওয়া দেখেছি। ঘাটটি শুধু যাতায়াতের জায়গা ছিল না, স্থানীয় মানুষের আবেগের সঙ্গেও এটি জড়িয়ে ছিল।

 

 

প্রবীণ চিত্রসাংবাদিক দেবদাস মজুমদার বলেন, সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়মিত বড়মাছুয়া ঘাটে আসতেন তিনি। একসময় মানুষের আনাগোনায় ঘাটটি সব সময় মুখর থাকত। এখন সেই দৃশ্য আর নেই।

 

 

স্থানীয় এক বাসিন্দা মেহেদী হাসান বলেন, স্টিমারে করে অনেকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল ও ঢাকায় যেতেন। ব্যবসায়ীরাও পণ্য নিয়ে যাতায়াত করতেন। এখন পন্টুনটিও নেই। নতুন প্রজন্মের কাছে হয়তো এসব কেবল গল্প হয়েই থাকবে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net