শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:০২

শিরোনাম :
পাসপোর্ট করতে এসে দুই তরুণী আটক, পরিচয় ও কাগজপত্রে গরমিল সরিয়ে দেওয়া হলো বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারীকে বরিশাল কাউনিয়ায় পুলিশের অভিযান: ৪০ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ৪ বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে বমির চিকিৎসায় গর্ভপাতের ওষুধ! লঞ্চ দুর্ঘটনায় আহতের পাশে বরিশালের ডিসি শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়তে বরিশালে ইউএনওর বিশেষ উদ্যোগ বরিশালে বিদ্যুতের চাহিদা আকাশছোঁয়া, সরবরাহ তলানিতে বরিশালে প্রাথমিক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ বাকেরগঞ্জে কারখানা নদীতে সেতু নির্মাণে স্থান পরিদর্শন করল চীনা প্রতিনিধিদল
বরিশালে ডিসির বাংলোর সামনে বাক প্রতিবন্ধী মা,মেয়ে জীবন যাপন

বরিশালে ডিসির বাংলোর সামনে বাক প্রতিবন্ধী মা,মেয়ে জীবন যাপন

dynamic-sidebar

আল আমিন গাজী।। মানুষ মানুষের জন্য এই কথাটা যেমন সত্য।তেমনি মানুষ ও সত্যবাদী। সমাজে অনেক অসহায় মানুষ রয়েছে। তাদের পেটে দুই বেলা খাবার যোগাতে রাত দিন সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়তে হয় তাদের। তেমনি একটি গল্প এক অসহায় বাক প্রতিবন্ধী মায়ের। তখন সময় ১টা। বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যায়নের পাশে বরিশাল জেলা প্রশাসকের বাংলো ও জেলা দায়রা জজ এর বাংলোর সড়কের সামনে পুকুর ঘাটে গাছের নিচ থেকে ধোয়া উঠছে। তখন ১০থেকে ১২জন লোক ছুটে গিয়ে দেখি একজন মা বসে রান্না করছে। পাশে একটি শিশু শুয়ে আছে।তখন কথা হয় শিশু শারমিনের সাথে। শিশু শারমিনের বয়স মাত্র ৭বছর। শারমিন বলে আমার মা কথা বলতে পারে না। তখন জিজ্ঞাসা করলাম শারমিনের বাবার কথা।শারমিনের বয়স যখন ৬মাস তখন তার বাবা মৃত্যু হয়। মা কমলা বেগম বাক প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধীর জমি দখল করে শারমিন সহ তার বোনকে চাচারা অত্যাচার করে ঘর থেকে নামিয়ে দেয়।বাবার সম্পত্তি শারমিনের পরিবারের জীবনে কাল হয়ে দাড়ায়। চাচাদের লোভ লালসায় ঘর ছারা শিশু শারমিন ও তার বাক প্রতিবন্ধী মা কমলা বেগম। ভোরের সূর্য উঠার সাথে সাথে নিজেদের পেটের তাগিদে রাস্তায় ভিক্ষা করে এই অসহায় পরিবারটি। শারমিনের বাড়ি ভোলা চরফ্যাশন লঞ্চঘাটের পাশেই। বাক প্রতিবন্ধী কমলার রান্নায় মেনু দেখে অবাক হলাম।হলুদ দিয়ে শুধু আলু রান্না করছে। মা মেয়ে কষ্টের জীবন খুবই বেদনা দায়ক। শারমিনের বড় বোনকে তার নানার বাড়ি রেখে আসছে প্রতিবন্ধী মা কমলা বেগম। জীবনের সাথে লাড়াই করে প্রতিবন্ধী মাকে নিয়ে গাছে নিচে জীবন সাজিয়েছে শারমিন আক্তার। শারমিন যখন কথা গুলো বলছিলো তখন তার দুই গাল বেয়ে পানি পরছিলো। এ কান্না তো সৃষ্টি কর্তার লিখন। যে বয়সে শারমিনের স্কুলে পড়া শুনার কথা।সেই বয়সের মাকে নিয়ে রাস্তায় অসহায় শিশুটি। তাই আসুন সমাজের প্রতিটি মানুষের উচিত অসহায় মানুষ গুলোর পাশে দাড়ানো। তবে সুশিল সমাজ মনে করে ডিসি,এসপি,জেলা দায়রা জজ এর বাংলোর পাশে পরে থাকা শিশু শারমিন ও বাক প্রতিবন্ধী কমলার পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে দাড়াবে।আর অসহায় মানুষ গুলো আমাদের কাছ থেকে সামান্যতম সাহায্য নিয়ে তাদের জীবন তাগিদ চালাবে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net