বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩৭

শিরোনাম :
বরিশালের ‘গডফাদার’ হাসানাত আব্দুল্লাহ এখন কোথায়? বরিশাল থেকে যেন কোন রোগীকে ঢাকায় যেতে না হয়: ড. জিয়া উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাগরে জলদস্যুর হামলায় ১২ জেলে আহত জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে : তথ্যমন্ত্রী জুলাই বর্ষপূর্তিতে বরিশালে ১১ দলের সমাবেশ জুলাই সনদ নিয়ে প্রতারণার চেষ্টা হলে পরিণতি ভালো হবে না: ফয়জুল করীম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বিএম কলেজ থেকে শিবির কর্মীদের বের করে দিলো ছাত্রদল
নাটোরে হঠাৎ বৃষ্টিতে স্বস্তিতে কৃষক

নাটোরে হঠাৎ বৃষ্টিতে স্বস্তিতে কৃষক

dynamic-sidebar

নাটোরঃ


আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পুরো আকাশ হালকা মেঘে ঢাকা ছিল, কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি।কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বৃষ্টিপাতের কারণে উঠতি গম, সরিষা ও মশুরের জন্য কিছুটা বিপত্তি ঘটলেও এ বৃষ্টি কৃষি ও কৃষকের জন্য আশির্বাদ। বিশেষ করে আম, লিচু, ভুট্টা, রসুন, পেঁয়াজ এবং বোরো ধানের জন্য এ বৃষ্টি খুবই উপকারী।নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, যে সব কৃষক দেরিতে গম, সরিষা ও মশুর চাষ করেছেন, তাদের জন্য এ বৃষ্টিপাত সামান্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কিন্তু সার্বিকভাবে অন্য ফসলের কোনো ক্ষতি হবে না।অধিকাংশ কৃষক তাদের চাষকরা গম, সরিষা ও মশুর ঘরে তুলেছেন। এসব ফসলের অবস্থা ক্ষতির পর্যায়ে নেই।তিনি বলেন, পুকুর বা ভুগর্ভস্থ পানির চেয়ে বৃষ্টির পানি ফসলের জন্য ভালো। কারণ এ পানিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। বৃষ্টির পানিতে রোগ-বালাই থেকে মুক্ত থাকে ফসল।বৃষ্টিপাতের পরপরই আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ হলে ফসলের জন্য অনেক ভালো। কিন্তু আকাশে দুই/তিনদিন যদি মেঘলা অবস্থা বিরাজ করে, তাহলে ফসলের জন্য ক্ষতিকর। তবে আপাতত এ বৃষ্টিপাত ফসলের জন্য আশির্বাদ বলে জানান তিনি।এদিকে, হালতি বিলের কৃষক মনু মিয়া জানান, এ সময়ে বৃষ্টি হলে ভুগর্ভস্থ পানির স্তর ভালো থাকবে, ফসলের রোগ-বালাই কম হবে এবং বোরো জমিতে সারের পরিমাণ কম লাগবে।একই এলাকার ভুট্টা চাষি রিপন জানান, ভুট্টায় সাধারণত রোপণ থেকে ওঠা পর্যন্ত দুই/তিনটি সেচ দিতে হয়। বৃষ্টিপাত হলে আর সেচ দিতে হবে না। এতে অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী হবেন তারা।
হলুদ ঘর গ্রামের কৃষক মোজাহার আলী, সদর উপজেলার আমহাটি এলাকার কৃষক মামুন জানান, এ বৃষ্টি আম ও লিচুর মুকুলের জন্য খুবই উপকারী। এ বছর অন্যান্য বারের তুলনায় গাছে মুকুল আগে এসেছে এবং অবস্থাও খুব ভালো।তারা জানান, বৃষ্টিপাতের কারণে গাছে মুকুলের আবরণ থেকে ধুলো-বালি সরে যাবে এবং পোকা-মাকড়ের প্রার্দুভাব কম হবে।অপরদিকে, মশুর ও গম চাষিরা বলছেন ভিন্ন কথা। নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুর চকপাড়া গ্রামের কৃষক আলী জানান, প্রায় ১০ বিঘা জমিতে তিনি মশুর চাষ করেছেন। এ ফসলের অধিকাংশই পাক ধরেছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি এ মশুর ঘরে তুলবেন। কিন্তু বৃষ্টিপাতের কারণে দুঃশ্চিন্তায় আছেন।তিনি বলেন, এভাবে বৃষ্টিপাত হলে দেরিতে চাষকরা মশুরগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। একই কথা জানালেন, কৃষক নিতাই চন্দ্র, সাইফুল ইসলামসহ আরো অনেকে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net