অসাধারণ এক ওভারে বাংলাদেশের দিকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। রুবেল হোসেনের ওভার থেকে দুটি করে চার-ছক্কায় ২২ রান তুলে নিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরান দিনেশ কার্তিক। নাটকীয় শেষ ওভারে ব্যবধান গড়ে দেন এই কিপার-ব্যাটসম্যানই। সৌম্য সরকারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ভারতে এনে দেন দারুণ জয়। আর আরেকটি ফাইনালে হারের বেদনায় পুড়ল বাংলাদেশ।
শেষ বলে ছক্কায় জয় কেড়ে নিলেন কার্তিক
দিনেশ কার্তিক যখন ক্রিজে আসেন শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ৩৪। ৮ বল খেলে তার ২৯ রান তুলে নেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।
রুবেল হোসেনের করা ১৯তম ওভারে দুটি করে ছক্কা-চারে ২২ রান তুলে নেন কার্তিক। অনিয়মিত পেসার সৌম্য সরকারের আঁটসাঁট বোলিংয়ে শেষ তিন বলে ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৯ রান।
সৌম্যকে চার হাঁকিয়ে পরের ওভারে ফিরে যান বিজয় শঙ্কর। জয়ের জন্য শেষ বলে ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫ রান। কাভার দিয়ে উড়িয়ে কার্তিক বল আছড়ে ফেলেন সীমানার বাইরে। ভারতের ড্রেসিংরুমে তখন বুনো উল্লাস। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা নুইয়ে পড়েছেন আরেকটি স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়।
জাদুকরী মুস্তাফিজ
টুর্নামেন্টটা খুব একটা ভালো কাটছিল না মুস্তাফিজুর রহমানের। উইকেট পাচ্ছিলেন ঠিকই, কিন্তু রান খরচ করছিলেন খুব বেশি। অবশেষে স্বরূপে দেখা গেল বাঁহাতি পেসারকে। নখ কামড়ানো উত্তেজনার ম্যাচে ১৮তম ওভারটি নিলেন উইকেট-মেডেন।
সেই ওভারে সাকিব আল হাসান যখন তাকে আক্রমণে আনেন তখন জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ৩ ওভারে ৩৫।
বিজয় শঙ্করের কাছ থেকে টানা চারটি বল ডট নেন মুস্তাফিজ। পঞ্চম বলে লেগ বাই থেকে আসে একটা রান। শেষ বলে তাকে উড়ানোর চেষ্টায় মনিশ পান্ডে ধরা পড়েন সীমানায়। বারবার রঙ পাল্টানো ম্যাচ তখন অনেকটাই ঘুরে যায় বাংলাদেশের দিকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৬৬/৮ (তামিম ১৫, লিটন ১১, সাব্বির ৭৭, সৌম্য ১, মুশফিক ৯, মাহমুদউল্লাহ ২১, সাকিব ৭, মিরাজ ১৯*, রুবেল ০, মুস্তাফিজ ০*; উনাদকাট ২/৩৩, সুন্দর ১/২০, চেহেল ৩/১৮, ঠাকুর ০/৪৫, শঙ্কর ০/৪৮)
ভারত: ২০ ওভারে ১৬৮/৬ (রোহিত ৫৬, ধাওয়ান ১০, রায়না ০, রাহুল ২৪, পান্ডে ২৮, শঙ্কর ১৭, কার্তিক ২৯*, সুন্দর ০*; সাকিব ১/২৮, মিরাজ ০/১৭, রুবেল ২/৩৫, নাজমুল ১/৩২, মুস্তাফিজ ১/২১, সৌম্য ১/৩৩)
ফল: ভারত ৪ উইকেটে জয়ী
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply