মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:১৫

শিরোনাম :
দগ্ধ তিনজনকে ঢাকায় প্রেরণ, দায়িত্ব নেবে বিভাগীয় প্রশাসন উজিরপুরে বৃষ্টিতে ভিজছে সরকারি দুস্থ ত্রাণের কম্বল দুর্গাসাগর থেকে হরিণ নিখোঁজের এক বছর পর কেয়ারটেকার-পাহারাদার গ্রেপ্তার বরিশালে ঘরের পাশে রাখা বালুভর্তি বস্তায় হঠাৎ বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৩ পটুয়াখালীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ২৬ কেজির ভোল মাছ পদ্মাসেতুর সুফল মিললেও শিল্পে আশানুরূপ অগ্রগতি নেই বরিশালে ভোলা-বরিশাল সেতু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সহজ হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৩ নেতাকে মারধর! বিক্ষোভের মুখে এবার বরিশালের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহার লোডশেডিং ও ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ মেহেন্দিগঞ্জবাসী
পিরোজপুরে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে

পিরোজপুরে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে

dynamic-sidebar

পিরোজপুর সদর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন খালের ওপর নির্মিত লোহার সেতুর একাংশ ভেঙে গেছে। গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পোহাচ্ছে তিন গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন খালের ওপর ৭০ ফুট দৈর্ঘের ওই লোহার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। দুই বছর আগে একটি বালুবাহী ট্রলার খাল দিয়ে যাওয়ার সময় সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে সেতুটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০১৭ সালের জুলাইতে সেতুর উত্তর অংশ ভেঙে পড়ে। স্থানীয় লোকজন চলাচলের জন্য সেতুর ভাঙা অংশে সুপারি ও বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে। এরপরের বছর ২৫ ডিসেম্বর রাতে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকে ছয় কিলোমিটার পথ ঘুরে চলাচল করছে তিন গ্রামের বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর উত্তর দিকে মধ্য বাঁশবাড়িয়া গ্রাম। দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া ও বাদুরা গ্রাম। তিন গ্রামের পাঁচ হাজার মানুষ চলাচলের জন্য সেতুটির ওপর নির্ভরশীল। মধ্য বাঁশবাড়িয়া গ্রামের শতাধিক শিশু প্রতিদিন সাঁকো পার হয়ে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করে। অপরদিকে, দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া ও বাদুরা গ্রামের মানুষ সাঁকোটি পার হয়ে জি হায়দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হাট বাজার, হাসপাতাল ও জেলা সদরে যাতায়াত করে।

জি হায়দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আবদুল্লাহ আল মুয়ীন বাংলানিউজকে জানায়, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ছয় কিলোমিটার ঘুরে শংকরপাশা গ্রামের এ কে এম এ আউয়াল ফাউন্ডেশনের সামনের সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হালিম মৃধা বাংলানিউজকে বলেন, সেতুটি মেরামত করতে আট থেকে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। এলজিইডির সেতু মেরামতের জন্য তহবিল নেই। অর্থাভাবে উপজেলা পরিষদ সেতুটি মেরামত করতে পারছে না।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার বাংলানিউজকে বলেন, এলজিডি এখন আর লোহার সেতু নির্মাণ করছে না। পুরাতন লোহার সেতুগুলো মেরামতের জন্য বরাদ্দ নেই। এ কারণে সেতুটি মেরামত করা যাচ্ছে না। আমরা গার্ডার সেতু নির্মাণ করার জন্য শিগগিরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠাবো।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net