নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল সেটেলমেন্টে অফিসের এএসও এনায়েত হোসেন তার দাবিকৃত উৎকোচ না দেওয়ায় কর্মস্থলে থাকা আপিল অফিসারকে ওএসডি করেছেন। পরে তারই কর্মস্থলে ভোলার চরফ্যাশনে এএসও সিরাজুল ইসলামকে ডেপুটেশনে এন সপ্তাহে দু’দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভূক্তভোগীরা। এছাড়াও এএসও এনায়েত হোসেন ইচ্ছা করলেই কোন কর্মচারীকে বদলী বা সাময়িত বরখাস্ত করতে পারেন।
এছাড়াও কোন কর্মচারী ঘুষ বানিজ্য করে এএসও এনায়েত হোসেনের মনের মতো না খুশি করলে ওএসডি বা বরখাস্ত করে দেয় বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে অভিযোগ করেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বরিশাল নগরীর প্রান কেন্দ্র’র ৫০নং বগুড়া আলেকান্দার আপিল অফিসার হিসেবে নির্ধারন করা হয় শহিদুল ইসলামকে। শহিদুল ইসলাম প্রথমে বিচারীক কার্যক্রম বেশ ভালভাবে শুরু করেন। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর এএসও এনায়েত হোসেন আপিল অফিসার শহিদুল ইসলামকে বগুড়া-আলেকান্দা মৌজার জন্য মোটা অংকের একটি ঘুষ দাবি করে। ওই দাবিতে আপিল অফিসার মো শহিদুল ইসলাম রাজী না হওয়ায় ওই সময় জরিপ কার্যক্রম বন্ধ রাখেন এএসও এনায়েত হোসেন। এ বিষয়ে সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষ আপিল অফিসার শহিদুল ইসলামকে বলেন, স্যার কি কারনে কার্যক্রম বন্ধ। কেন বন্ধ করা হয়েছে। জবাবে আপিল অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি আর আপিলের কাজ করিতে পারিবেন না।
কারন নতুন অফিসার কার্যক্রম শুরু করিবেন। এর পর সেবা নিতে আসা মানুষ চলে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন পর মোটা অংকের উৎকোচ রফাদফার মাধ্যমে ভোলার চরফ্যাশন থানা কর্মরত এএসও এনায়েত হোসেনের ব্যাচমেট সিরাজুল ইসলামকে ডেপুটেশনে নিয়ে আসেন বরিশাল অফিসে। তবে বিষয়টি হল, সিরাজুল ইসলামকে বরিশালে নিয়ে আসলে তার কর্মস্থল চরফ্যাশনের কার্যক্রমে কি হবে। তবে এনায়েত হোসেন কূট-কৌশলের মাধ্যমে সিরাজুল ইসলামকে ডেপুটেশনে সপ্তাহে দুই দিন বুধ ও বৃহস্পতিবার বরিশালের বগুড়া-আলেকান্দা মৌজা এবং চরফ্যাশনে রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলে এসএসও এনায়েত হোসেন।
তবে শুরুটা ভাল ছিল সিরাজুল ইসলামের। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর সারা দেশের মতো বরিশালেও দুদকের অভিযান শুরু হয়। তাই সে কূটকৌশলের মাধ্যমে বগুড়া-আলেকান্দার জরিপ কার্যক্রম। এদিকে একটি বিশেষ কথা হলো সাবেক আপিল অফিসার শহিদুল ইসলাম এখনও ওএসডি করে বসিয়ে বসিয়ে সরকারী বেতন প্রদান করা হয়। কূটবুদ্ধির মাধ্যমে এএসও মোঃ এনায়েত হোসেন’র অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য বগুড়া-আলেকান্দার কার্যক্রম ঝুলিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এএসও মোঃ এনায়েত হোসেন’র, এ বিষয়ে এএসও এনায়েত হোসেনের সাথে আলাপ করলে তিনি সকল বিষয় অস্বীকার করেন।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply