বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:১৩

মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন এয়ারপোর্ট থানার চৌকষ এসআই ফিরোজ আলম

মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন এয়ারপোর্ট থানার চৌকষ এসআই ফিরোজ আলম

dynamic-sidebar

এইচ এম হেলাল ॥ নিজ দায়িত্ব পালন করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এয়ারপোর্ট থানার চৌকষ কর্মকর্তা এসআই ফিরোজ আলম মুন্সী। ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ে সড়ক লাগোয়া এ থানায় যোগদান করার পর থেকেই তিনি সফলতার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এয়ারপোর্ট থানায় যোগদান করার পর থেকে এ পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ন মামলার আসামী আটক, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার করেছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সফল অভিযানে মরন নেশা ইয়াবা, চোরাই মোবাইল, চোরাই হোন্ডাও উদ্ধার করেছেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের এ সন্তান দেশ সেবার মহান ব্রত নিয়ে ২০১৩ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের গালুয়া দূর্গাপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউসুফ আলী মুন্সির পুত্র মোঃ ফিরোজ আলম মুন্সী শিক্ষাজীবন থেকেই বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্রজমোহন কলেজ (বিএম) থেকে উদ্ভিদ বিদ্যা বিষয়ে অনার্স এবং সরকারী তিতুমীর কলেজ থেকে একই বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। বিএম কলেজে অধ্যয়নরত থাকাকালীন তিনি সেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী, রোটারী ক্লাব এবং ব্রজমোহন থিয়েটারের সাথে নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। এছাড়া শিক্ষাজীবনে তিনি বাংলাদেশ বেতারের এক সময়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান তারুণ্য’র উপস্থাপনা করেছেন। এছাড়া তারুণ্য অনুষ্ঠানে তিনি নিজের লেখা কথিকাসহ কথিকা পাঠও করতেন। দেশ ও দশের সেবায় নিজেকে এখনো সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। ২০১৩ সালে পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সালে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় যোগদান করেন। এ থানায় যোগদানের পর থেকেই নিজের দায়িত্ব পালনে সদা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছেন। তিনি মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন। ফলে ইতিমধ্যে তিনি বেশ কিছু সফল অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় অভিযানে ইয়াবা, চোরাই হোন্ডা ও চোরাই মোবাইল উদ্ধার করেছেন। সদালাপী এসআই ফিরোজ আলমের ভবিষ্যত লক্ষ্য কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেশ ও দশের সেবার জন্য পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিয়েছি। যখন যে অবস্থায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে যে আদেশ দিবেন তা যথাযথভাবে পালন করব। তবে এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।
মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন এয়ারপোর্ট থানার চৌকষ এসআই ফিরোজ আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নিজ দায়িত্ব পালন করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এয়ারপোর্ট থানার চৌকষ কর্মকর্তা এসআই ফিরোজ আলম মুন্সী। ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ে সড়ক লাগোয়া এ থানায় যোগদান করার পর থেকেই তিনি সফলতার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এয়ারপোর্ট থানায় যোগদান করার পর থেকে এ পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ন মামলার আসামী আটক, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার করেছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সফল অভিযানে মরন নেশা ইয়াবা, চোরাই মোবাইল, চোরাই হোন্ডাও উদ্ধার করেছেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের এ সন্তান দেশ সেবার মহান ব্রত নিয়ে ২০১৩ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের গালুয়া দূর্গাপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউসুফ আলী মুন্সির পুত্র মোঃ ফিরোজ আলম মুন্সী শিক্ষাজীবন থেকেই বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্রজমোহন কলেজ (বিএম) থেকে উদ্ভিদ বিদ্যা বিষয়ে অনার্স এবং সরকারী তিতুমীর কলেজ থেকে একই বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। বিএম কলেজে অধ্যয়নরত থাকাকালীন তিনি সেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী, রোটারী ক্লাব এবং ব্রজমোহন থিয়েটারের সাথে নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। এছাড়া শিক্ষাজীবনে তিনি বাংলাদেশ বেতারের এক সময়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান তারুণ্য’র উপস্থাপনা করেছেন। এছাড়া তারুণ্য অনুষ্ঠানে তিনি নিজের লেখা কথিকাসহ কথিকা পাঠও করতেন। দেশ ও দশের সেবায় নিজেকে এখনো সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। ২০১৩ সালে পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সালে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় যোগদান করেন। এ থানায় যোগদানের পর থেকেই নিজের দায়িত্ব পালনে সদা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছেন। তিনি মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন। ফলে ইতিমধ্যে তিনি বেশ কিছু সফল অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় অভিযানে ইয়াবা, চোরাই হোন্ডা ও চোরাই মোবাইল উদ্ধার করেছেন। সদালাপী এসআই ফিরোজ আলমের ভবিষ্যত লক্ষ্য কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেশ ও দশের সেবার জন্য পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিয়েছি। যখন যে অবস্থায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে যে আদেশ দিবেন তা যথাযথভাবে পালন করব। তবে এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় মাদক ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net