স্টাফ রিপোর্টার :বড় সতীনের ছোঁড়া গমর ভাতের মারে ঝলসে গেছে ছোট সতীনের শরীরের বিভিন্ন অংশ। হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ছোট সতীন সুবর্ণা অধিকারী। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের সোমাইরপাড় গ্রামে। হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া গৃহবধু সুবর্ণা (২০) জানায়, গত ৩০ বছর পূর্বে তার স্বামী সত্য রঞ্জন অধিকারী কাজলী রানী (বড় সতীন) কে বিয়ে করে। দাম্পত্য জীবনে তাদের কোন সন্তান না হওয়ায় কাজলী রানী তার স্বামী সত্য রঞ্জনকে গত এক বছর পূর্বে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে সুবর্ণাকে বিয়ে করে ঘরে তুলে নেয়। সুবর্ণা অভিযোগে আরও জানায়, বিয়ের পর প্রথমে দুই সতীন কিছু দিন স্বাভাবিক জীবন যাপন করলেও কয়েক মাস যেতে না যেতেই দুই সতীনের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। ঝগড়া বিবাদের জের ধরে কৌশলী বড় সতীন কাজলী রানী ঘটনার দিন রোববার রাত দশটার দিকে ছোট সতীন সুবর্ণাকে চুলা থেকে ভাত নামিয়ে মার ছাঁকতে বলেন। সুবর্ণা রান্নাঘরে ভাতের মার ছাঁকতে বসা অবস্থায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বড় সতীন কাজলী রানীর এক গামলা (পাত্র) গড়ম ভাতের মার ছোট সতীনের গায়ে ছুড়ে মারে। ছুড়ে মারা গরম পানিতে ছোট সতীনের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। সুবর্ণাকে প্রথকে হাসপাতালে ভর্তি না করলেও অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তাকে উপজেলা বেসরকারি দুস্থঃ মানবতা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের বিছানায় চারদিন ধরে মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে সূর্বনা। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আশ্রাফুল ইসলাম শাওন জানান, সুবর্ণার শরীরের বিভিন্ন অংশে অন্তত ২০ শতাংশ ঝলসে গেছে। চিকিৎসায় তার উন্নতি হচ্ছে। স্বামী সত্য রঞ্জন অধিকারী বলেন, তাদের মধ্যে ঝগড়া হলেও ঘটনার দিন কোন ঝগড়া হয়নি। বড় স্ত্রীর তাকে জানিয়েছে, বিদ্যুৎ না থাকায় বাগানে গড়ম ভাতের মার ছোড়ার সময় ভুল ক্রমে সুবর্ণার গায়ে গিয়ে পরেছে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply