স্টাফ রিপোর্টার:
নগরীর বিভিন্ন এলাকার অলিতে গলিতে সড়কে এমনকি বাসাবাড়িতে হটাৎ করেই তল্লাশির নামে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভ্যান্তরিন এলাকা ছাড়াও নগরীর ছোট বড় সড়ক এবং বাসাবাড়িতে তল্লাশীর সময় সাধারণ মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে.দিনে ও রাতে পুলিশের অতিউৎসাহী কিছু সদস্য ইচ্ছে মতো অলিতে গলিতে বাসাবাড়িতে মাদক সহ বিভিন্ন অজুহাতে তল্লাশীর নামে অযথা সাধারণ মানুষদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নগরীর ২৩নং ওয়ার্ড ইসলাম পাড়া এলাকায় এমনি ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করে মৃত আমজাদ হাওলাদার এর পুত্র মোঃ কামাল হা.ওলাদার(৪৮) তিনি জানান গতকাল আনুমানিক রাত ১:৩০ মিনিটের সময় আমি আমার স্বপরিবারের সাথে বাসায়. ঘুমিয়ে ছিলাম হটাৎ করেই আমার বাসার পিছনের দরজায় ভাঙ্গার শব্দ আসে তখন আমার স্ত্রী সেখানে উপস্থিত হলে তাকে তারা ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে অন্ধকারের মধ্যে তখন আমার স্ত্রী দেখতে পারেনি যে কারা এসেছে.সম্প্রতি আমার সাথে আমার এক প্রতিবেশী মন্টুর সাথে আমার দীর্ঘদিন যাবত পূর্ব শত্রুতা আছে.আমি মন্টুকে ভেবে তখনি ঘর থেকে পালিয়ে যাই। পরবর্তীতে আমি যানতে পারি যে রাতে আমার বাসায় মন্টু আসেনি এসেছিল কোতয়ালী থানার এস আই মোঃ শামিম এবং তার সাথে থাকা আরো তিনজন পুলিশ সদস্য।এ দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে এস আই শামিমকে এর বক্তব্যে তিনি বলেন কামাল একজন পেশাদার মাদক ব্যাবসায়ী তার নামে রেব অফিসে ডিবি অফিসে কোতয়ালী থানায় ডজনখানেক মাদক মামলা রয়েছে র্দীর্ঘদিন যাবত তাকে ধরার চেস্টা করে যাচ্ছি কিন্তুু সে আগে থেকেই খবর পেয়ে পালিয়ে যায়.তাই গতকাল রাতে আমার নেতৃত্বে মোট চারজন সহ সিভিলে তার বাসায় তাকে খুজতে যাই তবে দরজা ভাংচুর এর ঘটনা একদম মিথ্যা.
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কতিপয় কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য তল্লাশির নামে বেপরোয়া আচরণ করছে। এসব পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালে পথচারী থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতেও তল্লাশির নামে হয়রানি, আর্থিক বাণিজ্য মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে নিরীহদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। কিন’ অজ্ঞাত কারণে গুরু অপরাধে লঘুদণ্ডে পার পেয়ে যাচ্ছেন অধিকাংশরা।বর্তমানে পুলিশ সদস্যদের সোর্সের তথ্য অনুযায়ী তারা এ ধরনের কার্যক্রম করে থাকে।কিন্তু সেই সকল সোর্সের আড়ালে তারা নিজেরাও ভয়ঙ্কর অপরাধী একদিকে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে পুলিশের কাছে ভুয়া তথ্য প্রদান করে থাকে। অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ে ধান্দাবাজীর জন্য কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য এ ধরনের সোর্সদের ব্যাবহার করে।পুলিশ কর্মকর্তার সামনেই সোর্সেরা নিরীহদের আটকে তল্লাশীর নামে হয়রানী করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।তাই ভুক্তভোগী কামালের একটাই দাবি তল্লাশীর নামে এরকম হয়রানির প্রতিকার এবং তিব্রনিন্দা জানান
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply