বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:২০

শিরোনাম :
বরিশালে লঞ্চে নিম্নমানের খাবারের আকাশ ছোঁয়া দাম, ঈদে যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা

বরিশালে লঞ্চে নিম্নমানের খাবারের আকাশ ছোঁয়া দাম, ঈদে যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা

dynamic-sidebar

এইচ আর হীরা : ঢাকা বরিশাল নৌ রুটে প্রতিদিন যাতায়াত হাজারো মানুষের বাংলাদেশের সবচেয়ে বিলাশ বহুল লঞ্চ চলাচল করে এই রুটে । মানুষের নিরাপত্তার জন্য নেই কোনো ব্যবস্থা । জীবনের ঝুকি নিয়ে এই রুটে চলাচল করছে হাজারো মানুষ । এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নরেনা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের । রাত ভর এই বিলাশ বহুল লঞ্চ গুলোতে যাত্রী সাধারন অসুস্থ হলে নেই কোনো চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র। আর খাবারের মান নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে সবার মাঝেই । মাঝে মধ্যে দি একটি লোক দেখানো অভিযান করলেও কাজে আসেনা তা। সম্প্রীতি বরিশাল ঢাকা নৌ রুটে বিলাশ বহুল লঞ্চের ক্যানটিনের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি অভিযোগ পত্র পরেছে বলে ঐ দপ্তর সূত্র নিশ্চিত করেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খাবার নেই বিলাশ বহুল লঞ্চ গুলোতে ।

অসাস্থকর পরিবেশ আর মানসম্মত খাবার নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কীর্তনখোলা -১০ লঞ্চে আসা ঢাকার ব্যবসায়ী সরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, লঞ্চ ছাড়ার পরে কেবিন বয় এসে হাজির স্যার রাতে কি খাবেন! ডাল চর্চরী আর আলু ভর্তা সাথে একটু পানি ডাল হলেই চলবে । উত্তরে কেবিন বয় বলে স্যার ভালো পোমা মাছে আছে দেশী। ঠিক আছে তাহলে নিয়ে এসো । রাত সারে এগারোটা খাবার নিয়ে হাজির কেবিন বয় । খাওয়া শেষ করে খাবারের বিল জানতে চান তিনি। ৬১০ টাকা বিল করে হাজির হন কেবিন বয়। ঢাকার ঐ ব্যবসায়ী জানতে চান এতো টাকা হলো কিভাবে ।এবং কেবিন বয়কে বিলের রিসিভ করে নিয়ে আসতে বললে কেবিন বয় বিলের রসিদ নিয়ে এসে ব্যবসায়ীকে বলে স্যার একটু ভুল হয়েছে আসলে আপনার বিল হয়েছে ৫৩০ টাকা।

এরপর কেবিন বয় বিলের রসিদ ব্যবসায়ীকে দিলে তাতে দেখা যায়, ২০০ টাকা পোমা মাছ ,ডাল চর্চরী ৬০ টাকা দুইটা আলু ভর্তা ৩০ টাকা চিংড়ী ভর্তা তিনটি ৭৫ টাকা এবং ভাত পোলাও দানি বাটির দেড় বাটি ১৬৫ টাকা বিল করে এনেছে ক্যাবিন বয়। এ ব্যাপারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক মোঃ শাহ্‌ শোয়াইব মিয়া জানান,লঞ্চের ক্যানটিনের অস্বাস্থ্যকরের বিষয়টি আমারা অবগত আছি কিন্তু লঞ্চ চলে রাতের বেলায় এবং ক্যন্টিনের কার্যক্রম হয় গভীর রাতে সেখানে আমাদের অভিযান পরিচালনা করতে খুব কঠিন হয়ে যায়। এছাড়াও প্রতিটি লঞ্চ মালিককে আমরা সচেতন করে নির্দেশনা দিয়েছি ,এখন তারা যদি সেইটা না মানে এবং প্রমাণ সহকারে কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

খাবারের দাম বেশি রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি লঞ্চে একটি খাবারের দাম নির্ধারিত একটি তালিকা দেয়া থাকে কেউ যদি সেই তালিকার চেয়ে বেশি দাম রাখে এবং কোনো ভোক্তা যদি বেশি দামে খাবার ক্রয় করে রসিদসহ আমাদের কাছে অভিযোগ দেয় তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net