সোমবার, ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:১৩

শিরোনাম :
দুর্গাসাগর থেকে হরিণ নিখোঁজের এক বছর পর কেয়ারটেকার-পাহারাদার গ্রেপ্তার বরিশালে ঘরের পাশে রাখা বালুভর্তি বস্তায় হঠাৎ বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৩ পটুয়াখালীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ২৬ কেজির ভোল মাছ পদ্মাসেতুর সুফল মিললেও শিল্পে আশানুরূপ অগ্রগতি নেই বরিশালে ভোলা-বরিশাল সেতু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সহজ হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৩ নেতাকে মারধর! বিক্ষোভের মুখে এবার বরিশালের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহার লোডশেডিং ও ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ মেহেন্দিগঞ্জবাসী বানারীপাড়ায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত অন্তত ২০

ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

dynamic-sidebar

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ॥ ঝালকাঠিতে চাঞ্চল্যকর আনোয়ারা বেগম হত্যা মামলার দুই আসামি শেখ হাসান ও পিল্টনকে ফাঁসি এবং অপর তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ মো. তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায়ে সর্বস্তরের এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে খায়রুল আলম ওরফে শেখ হাসান এবং একই গ্রামের মৃত জালাল সরদারের ছেলে পিল্টন।

যাবজ্জীবন সশ্রম কারা দণ্ডিতরা হলেন একই গ্রামের আবুল হোসেনের দুই ছেলে রিপন মিয়া, সালাম মিয়া ও আব্দুস সোবাহানের ছেলে সাহাদাৎ হোসেন।

মামলার বিররণে জানা যায় ২০০২ সালের ১৭ মে রাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামে নিহত আনোয়ারা বেগমের ছেলে লিটন সিকদারকে হত্যা ও তাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসে দন্ডিতরা।

এ সময় লিটন সিকদারের মা আনোয়ারা বেগম কুপি বাতি জ্বালিয়ে দিলে একই গ্রামের এ আসামিদের চেহারা চিনে ফেলেন।

পরের দিন তিনি স্থানীয় এলাকাবাসী ও গণ্যমান্যদের কাছে অভিযোগ করে আসামিদের বিচার দাবি করলে আসামিরা বেকায়দায় পরে এবং ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য লিটনের মা আনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনার পরদিন সদর থানায় একাটি মামলা হলেও পরে গোয়েন্দা পুলিশ (সিআইডি) ২০০৩ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকার ৭ জনকে আসামি করে একাটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

২০০৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সিআইডি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও ১৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর দোষী প্রমাণীত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি গিয়াস ও মামুনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল এবং আসামি পক্ষে ছিলেন আব্দুর রশিদ শিকদার।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net