, ,

শিরোনাম :
চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পদোন্নতি নিয়ে বিদায় নিলেন ড. শহীদ হোসেন, নতুন ডিসি আশরাফুল করিম বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে এক দশকে বরিশালে হারিয়েছে ১ হাজারের বেশি পুকুর ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার সুগন্ধা নদীর ভাঙন : নিঃস্ব শত পরিবার, ঝুঁকিতে বাবুগঞ্জ বাজার-বিমানবন্দর পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৫ লিটার চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পিতা-পুত্র আটক একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার নাশকতার মামলায় আ’লীগের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, বাকেরগঞ্জে চাঞ্চল্য

ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

dynamic-sidebar

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ॥ ঝালকাঠিতে চাঞ্চল্যকর আনোয়ারা বেগম হত্যা মামলার দুই আসামি শেখ হাসান ও পিল্টনকে ফাঁসি এবং অপর তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ মো. তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায়ে সর্বস্তরের এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে খায়রুল আলম ওরফে শেখ হাসান এবং একই গ্রামের মৃত জালাল সরদারের ছেলে পিল্টন।

যাবজ্জীবন সশ্রম কারা দণ্ডিতরা হলেন একই গ্রামের আবুল হোসেনের দুই ছেলে রিপন মিয়া, সালাম মিয়া ও আব্দুস সোবাহানের ছেলে সাহাদাৎ হোসেন।

মামলার বিররণে জানা যায় ২০০২ সালের ১৭ মে রাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামে নিহত আনোয়ারা বেগমের ছেলে লিটন সিকদারকে হত্যা ও তাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসে দন্ডিতরা।

এ সময় লিটন সিকদারের মা আনোয়ারা বেগম কুপি বাতি জ্বালিয়ে দিলে একই গ্রামের এ আসামিদের চেহারা চিনে ফেলেন।

পরের দিন তিনি স্থানীয় এলাকাবাসী ও গণ্যমান্যদের কাছে অভিযোগ করে আসামিদের বিচার দাবি করলে আসামিরা বেকায়দায় পরে এবং ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য লিটনের মা আনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনার পরদিন সদর থানায় একাটি মামলা হলেও পরে গোয়েন্দা পুলিশ (সিআইডি) ২০০৩ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকার ৭ জনকে আসামি করে একাটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

২০০৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সিআইডি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও ১৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর দোষী প্রমাণীত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি গিয়াস ও মামুনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল এবং আসামি পক্ষে ছিলেন আব্দুর রশিদ শিকদার।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net