, ,

শিরোনাম :
বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে এক দশকে বরিশালে হারিয়েছে ১ হাজারের বেশি পুকুর ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার সুগন্ধা নদীর ভাঙন : নিঃস্ব শত পরিবার, ঝুঁকিতে বাবুগঞ্জ বাজার-বিমানবন্দর পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৫ লিটার চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পিতা-পুত্র আটক একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার নাশকতার মামলায় আ’লীগের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, বাকেরগঞ্জে চাঞ্চল্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের নাপা ছাড়া মিলছে না ডেঙ্গুর চিকিৎসা

বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক :

বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি আবার চাহিদার ৪০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ফলে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় কোটি মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা নাজুক পর্যায়ে পৌঁছছে।
পিডিবির বিতরণ কোম্পানী ‘ওজোপাডিকো’ এবং ৬টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় সাড়ে ৮শ’ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গত দুদিন ধরে ডে-পিক এবং নাইট-পিক আওয়ারে সাড়ে ৪শ’ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ দিতে পারছে না পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী। তবে বরিশাল অঞ্চলের সবগুলো কয়লা, ডিজেল ও গ্যাসচালিত উৎপাদন কেন্দ্রগুলো থেকে জাতীয় গ্রীডে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

তাপমাত্রার পারদ ওপরে ওঠার সথে গত দুদিন ধরে বিদ্যুৎ ঘাটতি বৃদ্ধির ফলে জনজীবনে নভিশ^াস উঠেছে। তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস ওপরে উঠে যাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। চাহিদার সাথে সরবরাহের ব্যাপক ফাঁড়াকের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ এ অঞ্চলের সবগুলো জেনারেল হাসপাতাল এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোতেই জরুরি অস্ত্রপচারসহ সব ধরনের চিকিৎসা পরিসেবা ব্যাহত হচ্ছে। ডেঙ্গু ও হামের জন্য নির্দিষ্ট আইসিইউগুলোর বেডেও দুঃসহ গরমে রোগীরা কাতরাচ্ছে।
শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাও খুবই করুন। বেশির ভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠানই এক শিফট বন্ধ করে দিয়েছে ইতোমধ্যে। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কাজ হারিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হজম করে সন্ধ্যা নামার সাথে অন্ধকারে ডুবে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো করুন। গরম আর অন্ধকারে কোনো গ্রাহকই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানমুখী হতে চাচ্ছেন না। ফলে বেশির ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই দিনের পর দিন লোকসান গুনছে বলে অভিযোগ করেছেন।

কবে নাগাদ পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভবনা রয়েছে, সে বিষয়ে ওজোপাডিকো এবং পিজিসিবিসহ আরইবি’র কোনো দায়িত্বশীল মহলই কিছু বলতে পারেছেন না। তবে শীতের সময় চাহিদা কিছুটা হ্রাস পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কোনো কোনো মহল।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net