শিক্ষক কন্যা ৭ম শ্রেনীর ছাত্রীকে গনধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারন করার অভিযোগ স্বীকার করে ৪ অভিযুক্ত কিশোর সংশোধনাগারে গেছে। ২ অক্টোবর সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাম্মী আকতার বিচারাধীন আদালত অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী গ্রহণ শেষে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন। আদালত সূত্র জানায়,আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়ে কিশোর সংশোধনাগারে যাওয়া অভিযুক্তরা হচ্ছে হিজলা উপজেলার পশ্চিম কোড়ালিয়া গ্রামের কাজী বেল্লালের ছেলে সুলাইমান কাজী(১৭), জাহাঙ্গীর কাজীর ছেলে আব্দুস ছালাম কাজী(১৭), কাজী আবু হানিফের ছেলে হোছেন কাজী(১৬) ও কাজী দেলোয়ারের ছেলে সাগর কাজী (১৬)। এরাসহ নরসিংহপুর গ্রামের মরহুম আনিছ কাজীর ছেলে সফিক কাজী (১৭),শুক্কুর সরদারের ছেলে রবিউল সরদার, পশ্চিম কোড়ালিয়া এলাকার শহিদ সরদারের ছেলে সোহান সরদার (১৫),নান্নু তালুকদারের ছেলে হাবিব তালুকদার (১৭) ও পূর্ব কোড়ালিয়া গ্রামের নুরু বাবুর্চির ছেলে ইমরান বাবুর্চির (১৭) বিরুদ্ধে ১ অক্টোবর হিজলা থানায় মামলা দায়ের করেন কাউরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের স্ত্রী।অভিযোগে তিনি বলেন তার মেয়ে ১৩ বছরের কিশোরী ৭ম শ্রেনীতে পড়াশুনা করে।তার মেয়ে গত ৩১ আগস্ট স্কুল থেকে ফেরার সময় সোহান কথা শোনার অনুরোধ করে তাকে নিয়ে পূর্ব কোড়ালিয়া গ্রামের বর্দা বাবুর পরিত্যক্ত মঠের উপরে পিছনের কক্ষে নিয়ে যায়।অন্যান্যরা সেখানে উপস্থিত ছিল।ইমরান ও হাবীবকে নিচে পাহারায় রেখে ৬ জন একের পর এক তাকে গনধর্ষন করে।রবিউল ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে।ধর্ষিতা অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।হুশ ফেরলে ধর্ষিতা বাড়ি ফিরে বাদীকে ঘটনা জানায়।অভিযুক্তরা ধারণকৃত ভিডিও মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের কাছে ছড়িয়ে দেয়।এভাবে মামলা দায়ের হলে থানাপুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।অভিযুক্তরা আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেয়।জবানবন্দী গ্রহণ শেষে অভিযুক্ত ৪ জন কিশোর হওয়ায় তাদের কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply