আমরা যদি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের আমল হতে শুরু করি তখন থেকে ৯১ থেকে ৯৫ এবং ৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বরিশালে হাতে গোনা কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা এবং কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ছিলো। এক সময়ের সন্ত্রাসের জনপদ নামে খ্যাত বরিশালের সংবাদপত্র মালিক ও জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকদেরও স্বাষাতো তারা । বস্তুনিষ্ঠ সংবাদও অনেক সময় প্রকাশ ছিলো অনেকটাই কষ্টকর ও জীবনের ঝুকি । প্রকাশ্যে অস্র উচিয়ে গুলি করার ছবি ও সংবাদ চোখে দেখলেও তা পেপারে লেখা সম্ভব হতোনা । হাতে গোনা কয়েক জনের হাতে ছিলো সংবাদ প্রকাশ হওয়া বা না হওয়ার ক্ষমতা । সন্ত্রাসের হাতে মিডিয়া ছিলো অঘোষিত কুক্ষিগত। সংবাদপত্রের সংখ্যা বাড়ায় বেড়েছে সাংবাদিকদের সংখ্যা । এতে সাধারন মানুষের কোন ক্ষতি না হলেও সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে অপরাধীদের। তাই তারা সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের উপর তিক্ত বিরক্ত । হলুদ সাংবাদিকতার কথা অসীকার করিনা। ব্যাক্তির নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয় হলে তার কারনে পেশার গায়ে আঘাত হানে সত্য। তবে সেটা তার ব্যাক্তিগত চরিত্র পেশার চরিত্র নয়। আমার জানামতে নারায়নগঞ্জের ৭ খুন. ডাকাতির সময় পুলিশ আটক. মাদক সহ মেজিষ্ট্রেট আটক. বনখেকো ওসমানগনি আটক । মদাক ও অস্রসহ এমপি আটক সহ বাংলাদেশের এমন কোন সেক্টর নাই যেখানে অপরাধ ও দুর্নীতি নাই। যারা খুন ডাকাতি মাদক ও কোটি কোটি টাকা লুট করছেন তার জন্য ঐ ব্যাক্তিরাই দায়ী হয়. গোটা কমিউনিটি নয় । সেই হিসেব করলে একজনে সাংবাদিক হলুদ সাংবাদিকতা করে অপরাধীদের নিকট থেকে কতাটাকা নেয়। তবে এই মহান পেশাকে যারা কলংকিত করছে তাদের ধিক্কার জানিয়ে বলতে চাই সাংবাদিকদের সংখ্যা বাড়ায় অপরাধীরা এখও চুপসে আছে তা নাহলে সন্ত্রাসের জনপদে শস্তী ফিরে আসতোনা । কারন কেউ অপরাধ করলে প্রিন্ট মিডিয়া বা কোন না কোন অনলাইনে তা ছাপা হয়। এখন আর কোন সংবাদ চাপা দেয়ার সুযোগ নেই । ফলে পরিবারের লোকজন সমাজ এবং প্রসাশন সবাই জেনে যায় । এতে অন্য অপরাধীরা সুধরে যায়। তাই অপরাধীদের দমিয়ে রাখতে ও মুখোস উম্মোচন করতে আরো সংবাদপত্রের প্রয়োজন। তবে হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধে মালিকদের আরো সতর্ক হওয়া জরুরী ।
মোঃ আসাদুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক
দৈনিক দখিনের মুখ
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply