নিজস্ব প্রতিবেদকঃবাবা ক্ষুদ্র চা দোকানী। মা একটি টেইলার্সের শ্রমিক। তাদের আয়ে বাসাভাড়া সহ ২ বোন ও বাবা-মায়ের ভরনপোষন। ১০ম এবং ৪র্থ শ্রেনীতে পড়ুয়া দুই বোনের লেখাপড়ার খরচও চলে বাবা-মায়ের আয়ে। করোনার কারনে গত প্রায় ২ মাস ধরে কাজ বন্ধ বাবা-মায়ের।
চারিদিকে জনপ্রতিনিধিসহ বিত্তবানরা অনেক খাদ্য সহায়তা প্রদান করলেও লোক লজ্জাবার ভয়ে চাইতে না পাড়ায় এই পরিবারটির ভাগ্যে জোটেনি কিছুই। এ কারনে ওই পরিবারে মেনে আসে চরম বিপর্যয়। অনাহারে-অর্ধাহারে কাটছিলো তাদের দিনকাল।
এ অবস্থায় নগরীর ৯৯ নম্বর বগুড়া নথুল্লাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীতে পড়ুয়া ছোট মেয়েটি এক প্রতিবেশীর কাছ থেকে বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্যের মুঠোফোন নম্বর নিয়ে সাহস করে ফোন দিলেন তাকে।
বুধবার রাত ৮টার দিকে ওই শিশুর ফোন পেয়ে তাদের পরিবারের দুরাবস্থার কথা শোনেন সদর আসনের সাংসদ ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম।
নিজে ঢাকায় থাকলেও ব্যক্তিগত একান্ত সচিবের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর বৈদ্যপাড়া মোড়ে ওই শিশুটির ভাড়া বাসায় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন প্রতিমন্ত্রী।
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ৩ কেজি আলু, ১ কেজি পিয়াজ, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি ছোলা ও ১ কেজি চিড়া। বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জোবায়ের আবদুল্লাহ জিন্নাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ খাবার পৌঁছে দেন ওই পরিবারে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply