বাসে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। পালিয়ে প্রানে রক্ষা পেয়েছেন আরো দু,জন।শনিবার সকালে রুপাতলী পুরাতন ফেরীঘাট এলাকার আদর্শ সড়কের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় এলাকাবাসী দু,পুলিশ সদস্যকে মারধর করে আটকে রাখে। পরে কোতয়ালী পুলিশের সহকারী কমিশনার মোঃ আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। গণধোলাইয়ের শিকার দু,পুলিশ সদস্য হলেন : মহানগর পুলিশের (ট্রাফিক) এ,টি,এসআই মোঃ অসীম উদ্দিন বেজ নং – ৫৯৪ ও কনস্টবল মোঃ চাঁন মিয়া বেজ নং – ৪৩৫ । প্রত্যক্ষদর্শী কামাল মিয়া নামে স্থানীয় এক বাসীন্দা জানান, শুক্রবার বিকেল থেকেই চরমোনাইগামী অনেক বাস সড়কে রাখা হয়। শনিবার ভোরেও অনেক গাড়ী এসে যুক্ত হয়। সকাল ৭টা থেকে পুলিশের চারজন সদস্য এসে বাসচালকদের কাছে চাঁদা দাবী করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বেশ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এমনকি অনেকের মোবাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।
এক পর্যায় বাসে থাকা মাহফিলগামী যাত্রী ও স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া করলে দু,জন পালিয়ে যায়। পুলিশের এএসআই অসীম ও কনস্টবল চাঁন মিয়াকে ধরে গণধোলাই দেয়া হয়। খবর পেয়ে কোতয়ালী পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকৃতদের উদ্ধার করেন। এক বাসযাত্রী জানান, প্রতি বছরই মাহফিলগামী বাসগুলো এখানে রাখা হয়। কিন্তু কখনো পুলিশকে টাকা দিতে হয়নি। শনিবার হঠাৎ করে চারজন পুলিশ এসে তাদের কাছে টাকায় চাইলে সবাই এর প্রতিবাদ করে। এক পর্যায় পুলিশ কয়েকজনের সাথে খারাপ আচরন করলে আমরা এর প্রতিবাদ করি। জনরোষে এক পর্যায় পুলিশ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। দু,জন পালিয়ে যেতে পারলেও একজন এএসআই ও কনস্টবল হামলার শিকার হন। কোতয়ালী পুলিশের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান জানান, আমি খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে থেকে দু,পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করি। তারা (পুলিশ) জিজ্ঞাসাবাদে জানান কোন ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি। একটি মোটরসাইকেলকে থামানোর জন্য সিগ্যাল দেয়ার পরও তারা থামেনি। পরে পুলিশ তাদের ধরার জন্য পিছু নেয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের উপর হামলা করা হয়েছে। তার পরও আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দু,পুলিশ সদস্যকে লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply