স্টাফ রিপোর্টার ॥ ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামি আদালতে প্রেরনের নিয়ম থকলেও আইনের তোয়াক্কা না করে ৪০ ঘন্টা পরে আটক ৩ আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে বন্দর থানা পুলিশ। সূত্র জানায়, বরিশাল সদর উপজেলার ৭ নং চরকাউয়া ইউনিয়নের নয়ানী গ্রামের জনতার হাট নামক স্থানে এক দোকানীর সাথে দুই যুবকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ স্থানীয় ৩ যুবককে আটক করেছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করে। যদিও দোকানী মোশারেফ হোসেন সিকদারের সাথে সংঘর্ষ হয় সুমন ও আল আমিন নামের দুই যুবকের সাথে। কিন্তু স্থানীয় হালিম মুন্সির নির্দেশে নির্দোশ রাকিব দেওয়ানকেও আটক করে নিয়ে যায় বন্দর থানা পুলিশের এসআই আনিচ। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ওইদিন রাত আড়াইটার দিকে রাকিবকে ও তার পিতা মোঃ রফিক দেওয়ানকে ঘুম থেকে উঠিয়ে স্থানীয় ১ নং ওয়ার্ড নয়ানী গ্রামের মেম্বর হালিম মুন্সি ও তার সঙ্গীরা মারধর করে। রাকিব দেওয়ান ও তার পিতাকে মারধর করে, আলআমীন ও সুমনের মারামারি মামলার সাথে জড়িত থাকার কথা বলে বন্দর থানা পুলিশের এসআই আনিচের হাতে তুলে দেয় হালিম মুন্সি। পরে স্থানীয়রা আহত রাকিবের বৃদ্ধ পিতাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা জানায়, হালিম মুন্সির সাথে রাকিব দেওয়ানের পরিবারের সাথে পুর্ব শত্র“তা রয়েছে বলেই তিনি রাকিবকে পুলিশের হাতে তুলে দেন এবং তার পিতাকে মারধর করে। পরে পুলিশ হালিম মুন্সির পরামর্শক্রমে আইনের তোয়াক্কা না করে রাকিবকে মারধর করে প্রায় ৪০ ঘন্টা পরে তাকেসহ আটক তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করে। ঘটনা সূত্রে জানাযায়, জনতার হাটের দোকনী মোশাররফ হোসেনকে মারধর করে স্থানীয় আলআমিন ও সুমন নামের দুই যুবক। মারধরের ঘটনা শুনে স্থানীয় মেম্বর হালিম মুন্সি রাকিব দেওয়ানকে ফাসানোর জন্য রাকিব দেওয়ান ও তার পিতাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। হালিম মুন্সির নির্দেশে এস আই আনিচ রাকিবকে থানায় নিয়ে মারধর করে বলে জানায় আটক রাকিব দেওয়ান। ঘটনার বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার অফিসার্স ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা হায়দারকে ফোন দিলে তিনি বলেন ২৪ ঘন্টার বেশি অতিবাহিত হয়নি, তবে তিনি বলেন এসআই আনিচের সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানাবো। তবে এসআই আনিচ বলেন, মঙ্গলাবর রাত আড়াইটার দিকে হালিম মুন্সি আমাকে ফোনে জানায়, তিনজন ডাকাত আটক করা হয়েছে। আমি গিয়ে দেখি হালিম মুন্সিসহ স্থানীয় কিছু যুবকরা তিনজনকে আটক করে রাখে। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য তাৎক্ষনিক তাদেরকে থানায় নিয়ে আসাহয়। ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আসামি থানায় না রাখার বিধান থাকলেও আটক তিন যুবককে ৪০ ঘন্টা থানায় আটক রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি ওসির সাথে কথা বলার পরামর্শ দিলেও পরে কথা প্রসঙ্গে বলেন মুলত সমঝোতার কারনেই আদালতে সোপর্দ করতে একটু বিলম্ব হয়। তবে সব কিছুই ১ নং ওয়ার্ড মেম্বর হালিম মুন্সির কারনে হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে হালিম মুন্সির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply