খবর বরিশাল ডেস্ক : বিদ্যালয়ের আইন বহির্ভূত কাজের অভিযোগে বহিস্কার হওয়া বরিশাল হালিমা খাতুন স্কুলের খন্ডকালীন শিক্ষক মাইদুলের বিরুদ্বে এবার ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টবর ২০২৪) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ডের বাসিন্দা হামিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে সেকান্দার আলী। মামলার উল্লেখ করা হয়, বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ক্লাস রুমে ধর্ষনের চেষ্টা করেন শিক্ষক মাইদুল।
যার কারনে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর নানা ও মামলার বাদী সেকান্দার আলী। অভিযোগ উঠেছে মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক মাইদুল এর আগেও স্কুলে ভিবিন্ন ধরনের অনিয়মের সাথে জড়িত থাকলেও অন্যান্ন শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের সম্মানের কথা মাথায় রেখে মুখ খুলেননি। তবে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ নিয়ে একাধিকবার প্রতিবাদ করলে তাকেও হেনেস্থা করতে ভিবিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন বলে মন্তব্য করেন প্রধান শিক্ষক এস, এম, ফখরুজ্জামান।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ বিভাগীয় পর্যায়ে ২বার ও জেলা পর্যায়ে ৩বার সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়া এই প্রধান শিক্ষক বলেন- বলেন, স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করার লক্ষে চলতি বছরের ৭ই মে মিঠিং ডেকে ৮ই মে খন্ডকালীন শিক্ষক মাইদুলকে বিদ্যালয়ের আইনবহির্ভূত কাজের জন্য সভার স্বিদ্বান্ত অনুযায়ী বহিস্কার করা হলে (নোটিশ দেওয়া হয়) সে (মাইদুল ইসলাম) আমার বিরুদ্বে একের পর এক ভিবিন্ন স্থানে মিথ্যা অভিযোগ করে যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষক আরো বলেন- মাইদুল ইসলাম আমার বিরুদ্বে যতগুলো অভিযোগ দিয়েছে তার বেশির ভাগ’ই তাকে বহিস্কার করার পরে। আচ্ছা আমি প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে দীর্ঘ বছর এই প্রতিষ্ঠানে আছি। তিনিও (মাইদুল ইসলাম) দীর্ঘ একটা সময় এখানে শিক্ষকতা করেছেন। তাহলে তিনি বহিস্কারের পূর্বে কেন মুখ খুলেননি ? সব অভিযোগ তাকে বহিস্কার করার পরে মনে আসছে ? না’কি নিজের অনিয়ম ও দূর্নীতি ধামাচাপা দিতেই এমনটা করছে এটা তাকে (মাইদুল’কে) জিজ্ঞেস করলেই পাবেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, ওই শিক্ষক (মাইদুল ইসলাম) আমার বিরুদ্বে অভিযোগ করেন- “আমি ক্লাসরুম ভেঙে ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রধান শিক্ষকের বাসভবন নির্মাণে সাগর চুরি করেছি।” ভাই প্রধান শিক্ষকের ভবন কি কারো বাপ-দাদার সম্পত্তি ? আমি আজ এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে আছি। কাল হয়তো দায়িত্বে অন্য কেউ আসবে। আমাকে চলে যেতে হবে। এটাতো আমার কোন ব্যাক্তিগত সম্পত্তি নয়। আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমার প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আমার স্কুলের শিক্ষার্থীদের স্বার্থে যেকোন ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্বে আমার অবস্থান সবসময় কঠিন।
এতে যত ধরনের বাধাঁ আসুক, তা মোকাবেলা করতে আমি প্রস্তুত। উপরের উল্লেখিত বিষয় নিয়ে খন্ডকালীন শিক্ষক মাইদুল ইসলামের সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাবহারিত নাম্বারে (০১৭৩৯-……..৫৯) নম্বরে বুধবার বেলা ১১টা ৩৪ মিনিটি একাধিক বার ফোন করা হলেও ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply