খবর বরিশাল ডেস্ক :
বরিশাল নগরীতে ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে দুই যুবক ও এক কিশোরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার একটি ঘটনা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় কিছু অতিউৎসাহী ব্যক্তির ভূমিকা এবং তথ্যের অপব্যাখ্যার কারণে বিষয়টি ভিন্ন মাত্রা পায় বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত একটি মোবাইল ফোন ঠিক করাকে কেন্দ্র করে।
যানা যায়, গত সপ্তাহে বরিশাল নগরীর গীর্জা মহল্লা এলাকায় মোবাইল ফোন ঠিক করাতে গিয়ে কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ফয়সাল (২৩)-এর সঙ্গে পরিচয় হয় হানিফ বিরিয়ানির কর্মচারী সাগর (২৭) ও ফজলে রাব্বি (১৫)-এর। ফয়সাল গৌরনদীর একটি বেসরকারি ব্যাংকে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, পরিচয়ের একপর্যায়ে সাগর ও রাব্বি ফয়সালকে বিউটি হল গলির ভেতরে তাদের একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নেওয়ার পাশাপাশি অনৈতিক আচরণের প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে ফয়সাল অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, সাগর ও রাব্বি তার সঙ্গে জোরপূর্বক আচরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় ফয়সাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার নগরীর ফলপট্রি এলাকার হানিফ বিরিয়ানির সামনে থেকে সাগর ও রাব্বিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা দাবি করেন, ঘটনাটি মূলত একটি মোবাইল ফোন সংক্রান্ত সামান্য বিরোধ থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির ফল। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মামুন উল ইসলাম বলেন, “অভিযোগকারীর সংবাদের ভিত্তিতে এক যুবক ও এক কিশোরকে থানায় আনা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে উভয় পক্ষই জানিয়েছেন, এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি জনিত ঘটনা এবং তারা ঘটনার বিষয়ে পরস্পরের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছেন। কারো পক্ষ থেকে আর কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং উপরস্থ কর্মকর্তাদের পরামর্শে মুচলেকা গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, আমাদের সকলের গুজব ও যাচাইহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply