খবর বরিশাল ডেস্ক : বরিশাল মহানগরীর কর দাতাদের সুষ্ঠু নাগরিক পরিসেবায় ক্রমাগত বাধার সৃষ্টি করছে যারা কর দেয়না এমন ব্যক্তি ও অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফুটপাথ পেরিয়ে রাস্তার মূল অংশও প্রতিনিয়ত বেদখল হয়ে যাচ্ছে। এমনকি এ নগরীর অনেক রাস্তার মূল অংশও ক্রমাগত দখল হয়ে যাচ্ছে। নগরীতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সকালে যে রাস্তার কার্পেটিং করা হচ্ছে, দুপুরের পরেই তা বেদখল হয়ে যাচ্ছে।
গত সপ্তাহেই নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজকুমার ঘোষ রোডটি প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে পুনঃ নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি গত বৃহস্পতিবার দুপুরের আগে এ সড়কটির কার্পেটিং সম্পন্ন হবার মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যেই লেকটির দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে বিশাল পথ খাবারের দোকানের হাট মেলে।
প্রতিদিনই মধ্যরাতের পর পর্যন্ত এসব দোকান ঐ সড়কটিতে যানবাহন চলাচল সহ পথচারীদের বাধার সৃষ্টি করলেও সেদিকে কারো কোন নজর নেই। মাত্র ৯শ ফুট দৈর্ঘ্যের এ সড়কটিতে শিশু-কিশোরদের ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব পথ খাবারের দোকানের বেআইনি দখলের কারণেই সড়কটি ব্যবহারকারীদের বিড়ম্বনার শেষ নেই।
এমনকি ঐ লেকটিতে পাশের মার্কাজ মসজিদে আগত মুসল্লিদের ওজু গোসলের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয়ে সিটি করপোরেশন যে ঘাটলাটি নির্মাণ করেছে, সেটিও বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব পথ খাবারের দোকানের গ্রাহকদের দখলে থাকছে। সেখানে কোন মুসল্লিদের পক্ষে প্রবেশ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে ইতোমধ্যে।
এমনকি এসব পথ খাবারের দোকানের নানা ধরনের উচ্ছিষ্ট ও বর্জ্য প্রতিনিয়ত এ লেকটির মধ্যে ফেলায় তার পানি ইতোমধ্যে দূষিত হতে শুরু করেছে বলেও এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে একাধিক এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ নগরীতে যারা ‘নগর কর’ দেয়, তাদের নাগরিক সুবিধা কেড়ে নিচ্ছে, যারা কর দেয়না-তারা। তাদের অভিযোগ এ নগরীকে যত পরিচ্ছন্ন ও সুসংগঠিত করার চেষ্টাই করা হোক তার সব কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে, অবৈধ দখলদারদের কারণে।
বিষয়টি নিয়ে রোববার সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি ‘বিষয়টি দেখবেন’ বলে জানিয়েছেন।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply