খবর বরিশাল ডেস্ক : বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ২০১৫ সালে বিচারবহির্ভূতভাবে (ক্রসফায়ারে) হত্যার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির বিরুদ্ধে পুলিশের দুই কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মামলার জব্দ তালিকার ৯ ও ১০ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন যথাক্রমে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম এবং আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান। ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ।
সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেন গ্রেফতার দুই আসামির আইনজীবী আবুল হাসান ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
হাসানাত আবদুল্লাহ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন এবং বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ। এর মধ্যে মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই ব্যক্তি হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
অভিযোগে বলা হয়, হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে হাসানাত আবদুল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের হত্যার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এহসানউল্লাহ তাদের অধস্তন পুলিশ সদস্যদের দিয়ে ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করান।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply