খবর বরিশাল ডেস্ক ::
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার সকাল ৯টায় উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে বেলা ১২টা থেকে গণঅনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা; যা চলমান রয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর মেহেদি হাসান বলেন, “শিক্ষার্থীরা অনশনে রয়েছেন। আমরা আলোচনায় বসেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে একটা সমাধান আসবে।”
রোববার সেশনজটসহ বিভিন্ন দাবিতে ওই বিভাগের চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ দাবিতে তার কক্ষে তালা দিয়ে উপাচার্যের দপ্তরে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে উপাচার্যের আশ্বাসে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে চলে যান তারা।
আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, সময় কখনো প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার কাছে জিম্মি হতে পারে না। ক্লাস-পরীক্ষার অনিশ্চয়তা ও ফলাফলের বিলম্ব শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনকে সংকুচিত করছে। চেয়ার কোনো ব্যক্তির স্থায়িত্বের প্রতীক না। এটা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার দেখা দিয়েছে। এ কারণে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
বিভাগের চেয়ারম্যানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার পদত্যাগ দাবিতে ১৩৬ শিক্ষার্থী গণঅনশন শুরু করেছে বলে জানান ওই শিক্ষার্থী।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী তামিম রহমান আশিক বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে যাব না। অনশনের কারণে আমাদের কোনও শিক্ষার্থীর ক্ষতি হলে এর দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে।”
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “অন্য বিভাগের সেশনজট নিরসন করতে পারলে কোস্টাল কেনো পারবে না?
“আমার মনে হয় ওনার বিরুদ্ধে আন্দোলন হওয়া উঠিত না, আন্দোলন শুরু হওয়ার আগে উনি নিজে থেকে সরে যাওয়া উচিত। এখন যে আন্দোলনটা হচ্ছে এটা ওনার জন্য লজ্জাজনক। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশেই আছি।”
ওই বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, মূলত শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংকটের কারণেই এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের এমন চরম পন্থা অবলম্বন না করার আহ্বান জানান তিনি।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply