শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:১৪

শিরোনাম :
বরিশালে উচ্ছেদ হওয়া পার্কের জায়গা দখলের চেষ্টা বার্তা সম্পাদক ফোরাম বরিশালের কমিটি গঠন স্টাফ রিপোর্টার পাসপোর্ট করতে এসে দুই তরুণী আটক, পরিচয় ও কাগজপত্রে গরমিল সরিয়ে দেওয়া হলো বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারীকে বরিশাল কাউনিয়ায় পুলিশের অভিযান: ৪০ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ৪ বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে বমির চিকিৎসায় গর্ভপাতের ওষুধ! লঞ্চ দুর্ঘটনায় আহতের পাশে বরিশালের ডিসি শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়তে বরিশালে ইউএনওর বিশেষ উদ্যোগ বরিশালে বিদ্যুতের চাহিদা আকাশছোঁয়া, সরবরাহ তলানিতে বরিশালে প্রাথমিক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ধরাছোয়ার বাইরে বরিশালের চিহ্নিত দেহব্যবসায়ী মনির- রহস্য!

ধরাছোয়ার বাইরে বরিশালের চিহ্নিত দেহব্যবসায়ী মনির- রহস্য!

dynamic-sidebar

বরিশালে আবাসিক হোটেল গুলোতে অহরহই চলছে দেহব্যবসা। এ সকল আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়তই অভিযান করছে পুলিশ। অভিযান চালিয়ে পতিতা ও খদ্দের আটক করলেও অসাধু ব্যবাসায়ীদের আটক করছেনা পুলিশ। রহস্যজনক কারনেই হোটেল কতৃপক্ষকে আটক করতে পারছেনা পুলিশ এমনটাই জানায় অনেকে। গত বৃহস্পতিবারও নগরীর হোটেল ইন ও পপুলার থেকে ৫ দেহ ব্যবসায়ী ও ২ খদ্দেরকে আটক করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। কিন্তু এসকল দেহব্যবসায়ীদের মূল হোতা মনির রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। মনির নগরীর দুটি আবাসিক হোটেল পরিচালনাসহ বেশকয়েকটি আবাসিক হোটেলে দেহব্যবসায়ী  দিয়ে থাকেন। মনিরের আবাসিক হোটেলের নামে দেহ ব্যবসা পরিচালনাকারী হোটেল দুটি হল পাতারহাট / পায়েল ও গালিব। সূত্র জানায়, মনির পুলিশকে বখরা দিয়েই এমন কার্যক্রম করে যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন মনিরের হোটেল দুটিতে পুলিশ তল্লাশি করে খুবই কম। আর কঠিন নির্দেশনা থাকলে পুলিশের অসাধু সদস্যরা মনিরের কাছে ফোন করে আগেই জানিয়ে দেয়। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা, তারা বলছেন অভিযান করে যাদের পাওয়া যায় তাদেরকেই আটক করা হচ্ছে।

আবাসকি হোটেল থেকে পতিতা ও খদ্দেরকেই আটক করা হয় কেন? হোটেল কতৃপক্ষদের আটক করা হয়না কেন? যারা প্রতিনিয়তই হোটেলে দেহব্যবসা চালাচ্ছে তাদের হোটেল বন্ধ করা হয়না কেন? এসকল বিষয় নিয়ে থাকছে পরবর্তী সংবাদে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net