বরিশালে আবাসিক হোটেল গুলোতে অহরহই চলছে দেহব্যবসা। এ সকল আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়তই অভিযান করছে পুলিশ। অভিযান চালিয়ে পতিতা ও খদ্দের আটক করলেও অসাধু ব্যবাসায়ীদের আটক করছেনা পুলিশ। রহস্যজনক কারনেই হোটেল কতৃপক্ষকে আটক করতে পারছেনা পুলিশ এমনটাই জানায় অনেকে। গত বৃহস্পতিবারও নগরীর হোটেল ইন ও পপুলার থেকে ৫ দেহ ব্যবসায়ী ও ২ খদ্দেরকে আটক করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। কিন্তু এসকল দেহব্যবসায়ীদের মূল হোতা মনির রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। মনির নগরীর দুটি আবাসিক হোটেল পরিচালনাসহ বেশকয়েকটি আবাসিক হোটেলে দেহব্যবসায়ী দিয়ে থাকেন। মনিরের আবাসিক হোটেলের নামে দেহ ব্যবসা পরিচালনাকারী হোটেল দুটি হল পাতারহাট / পায়েল ও গালিব। সূত্র জানায়, মনির পুলিশকে বখরা দিয়েই এমন কার্যক্রম করে যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন মনিরের হোটেল দুটিতে পুলিশ তল্লাশি করে খুবই কম। আর কঠিন নির্দেশনা থাকলে পুলিশের অসাধু সদস্যরা মনিরের কাছে ফোন করে আগেই জানিয়ে দেয়। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা, তারা বলছেন অভিযান করে যাদের পাওয়া যায় তাদেরকেই আটক করা হচ্ছে।
আবাসকি হোটেল থেকে পতিতা ও খদ্দেরকেই আটক করা হয় কেন? হোটেল কতৃপক্ষদের আটক করা হয়না কেন? যারা প্রতিনিয়তই হোটেলে দেহব্যবসা চালাচ্ছে তাদের হোটেল বন্ধ করা হয়না কেন? এসকল বিষয় নিয়ে থাকছে পরবর্তী সংবাদে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply