পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনগত নোটিশকে বৃদ্ধা অঙ্গুলি দেখিয়ে নগরীর রুপাতলী হাউজিং সংলগ্ন আছালত খান মসজিদ এলাকার বসত বাড়িতে গড়ে তোলা পরিবেশ দুষিত পুরনো টায়ার মেরামত কারখানা, প্লাস্টিক এবং পুরানো টিন ভাঙ্গার ব্যবসা জমজমাট করে তুলেছে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী।
দীর্ঘদিন থেকে নগরীর মধ্যে পরিবেশ দুষনকারী কারখানা স্থাপন করে কাজ চালিয়ে গেলেও পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা সংশ্লিস্ট প্রশাসন প্রভাবশালী মুকুল মিয়া ও তার সহযোগী শওকত খান ও সেলিম খানের বিরুদ্ধে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলে ওই এলাকার ভূক্তভোগীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পরিবেশ দুষন করে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখিত প্রভাবশালীরা। সূত্রমতে, পুরনো টায়ার রিসাইক্লিং (মেরামত), বিকট শব্দ যন্ত্র দিয়ে প্লাস্টিক ও পুরানো টিন ভাঙ্গার ফলে পরিবেশ দুষনের পাশাপাশি শব্দ দুষন হচ্ছে। ফলে ওই এলাকায় বসবাস করা দুরহ হয়ে উঠেছে। এমনকি পুরনো ভাঙ্গা টিন ও লোহার মালামাল যত্রতত্র ফেলে রাখায় ওই এলাকার পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পরেছে। ভূক্তভোগীরা জরুরি ভিত্তিতে পরিবেশ দূষনকারী ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ নগরী থেকে ওই প্রতিষ্ঠান অপসারনের জন্য জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, টায়ার মেরামতের নির্গত কালো ধোয়ায় বিষাক্ত শিশা, কার্বনডাই অক্সসাইড, কার্বন মনোঅক্সসাইড ও সালফার বাতাসে মিশে শ্বাসপ্রশাসের সাথে মানবদেহে প্রবেশ করে শ্বাসকস্ট, হাঁপানী, ফুসফুসে ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ নানারোগে আক্রান্ত হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি বিকট শব্দ দুষনে শিশুদের মানসিক বিকাশে বাঁধা, শ্রবন শক্তি কমানোসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এ ব্যাপারে বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (উপ-সচিব) আহসান হাবিব জানান, পরিবেশ দুষনকারীদের বিরুদ্ধে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। ইতোমধ্যে টায়ার মেরামত ও ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত নোটিশ প্রদান করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply