মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০৭

শিরোনাম :
উজিরপুরে বৃষ্টিতে ভিজছে সরকারি দুস্থ ত্রাণের কম্বল দুর্গাসাগর থেকে হরিণ নিখোঁজের এক বছর পর কেয়ারটেকার-পাহারাদার গ্রেপ্তার বরিশালে ঘরের পাশে রাখা বালুভর্তি বস্তায় হঠাৎ বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৩ পটুয়াখালীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ২৬ কেজির ভোল মাছ পদ্মাসেতুর সুফল মিললেও শিল্পে আশানুরূপ অগ্রগতি নেই বরিশালে ভোলা-বরিশাল সেতু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সহজ হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৩ নেতাকে মারধর! বিক্ষোভের মুখে এবার বরিশালের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহার লোডশেডিং ও ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ মেহেন্দিগঞ্জবাসী বানারীপাড়ায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
বসন্তের প্রথম দিন আজ

বসন্তের প্রথম দিন আজ

dynamic-sidebar

‘আহা, আজি এ বসন্তে এত ফুল ফোটে/ এত বাঁশি বাজে, এত পাখি গায়…’ কবিগুরুর এ গানের প্রতিচ্ছবির মতোই আজ বাংলার প্রকৃতিতে এসেছে বসন্তের ছোঁয়া। ঋতুরাজ বসন্তকে বরণের জন্য প্রকৃতি সেজেছে অপরূপ রূপে।

 গাছের নতুন পাতা, শিমুলের ডালে আগুন রাঙা বাসন্তী ফুল জানান দিচ্ছে, ইট কংক্রিটের রাজধানী ঢাকাতেও আজ বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। ঋতুচক্র এখন পঞ্জিকার অনুশাসন মানছে না ঠিকই, কিন্তু বসন্ত লুকিয়ে আসতে পারে না। প্রকৃতি তার নতুন সাজে জানান দেয়, বাতাসে লাগিছে দোলা।

ফাগুনে চাই আগুনরাঙা সাজ।

রঙিন পোশাকে উৎসবের রঙে রাঙাতে বসন্ত আজ দরজায়। ফাল্গুনকে বরণ করতে প্রকৃতির মতোই একটু অন্য রকম সাজে নারীরা আজ সেজেছে তাদের নিজস্ব স্টাইলে। ফাল্গুনের এই দিনে বাসন্তী রঙের শাড়ি, খোঁপায় গাঁদা ফুলের মালা, হাতভর্তি কাঁচের চুড়ি, আর কপালে লাল টিপ, যেন পুরোপুরি বাঙালিয়ানার সাজ। পোশাকের সঙ্গে সাজেও চাই একটু রঙের আভা।

এ বছর শীতের প্রকোপ কম থাকায় হেমন্তেই বসন্তের বাণী সাড়া দিয়েছিল যেন। কিন্তু নিয়ম মেনে আজ পহেলা ফাল্গুন, বসন্তকে বরণ করছে নগরবাসী। রবিবার থেকেই সাজ সাজ রবে দিনগুলো আরও ঝকঝকে হতে শুরু করেছে। পহেলা ফাল্গুনের রেশ না কাটতেই বসন্তের দ্বিতীয় দিনে ভালবাসা দিবস, আর উৎসবের নগরী যেন ঢাকা।
বসন্ত মানে প্রেম, প্রকৃতির কাব্য। বসন্ত মানে আজি বাতাসে বহিছে প্রেম, হৃদয়ে নেশা। সেই নেশা বাতাসে প্রাণচঞ্চলতার।
ফাল্গুনের রঙিন সাজে
 
ফাগুনের প্রথম দিনে রাজধানীর রাজপথে রাজ করছে বাসন্তী রঙের শাড়ি। সঙ্গে গাঢ় রঙের আধিক্যও আছে বছর কয়েক ধরে। বাসন্তী, লাল, হলুদ আর সবুজে রঙিন হয়ে উঠবে

‘দখিন সমীরণের শিহরণ’ জাগানোর মাহেন্দ্র দিন এলো। মাতাল হাওয়ায় কুসুম বনের বুকের কাঁপনে, নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে উঠবার আভাসে, পল্লব মর্মরে আর বনতলে কোকিলের কুহুতান জানান দিচ্ছে : ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে..। আজ বিপুল ঐশ্বর্যের ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। আজি দখিন-দুয়ার খোলা/ এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো..। আজ পয়লা ফাল্গুন। গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক/ আজ বসন্ত…

 

বনের মতো মনেও অদ্ভুত এক শিহরণ জাগানিয়া দিন এখন। রূপ লাবণ্যে জেগে উঠেছে প্রকৃতি, রঙিন চারপাশ। বৃক্ষের নবীন পাতায় আলোর নাচন! গোলাপ, জবা, পারুল, পলাশ, পারিজাতের হাসি। সেই প্রাচীন প্রাকৃত পেঙ্গলের দিকে তাকালে আমরা দেখবো বসন্তরাজের করতলে ভালোবাসার নৈবেদ্য তুলে দিতে কেমন ব্যস্ত কবিরা। বসন্তের বন্দনা করে একটি পংক্তিও লেখেননি, এমন বাঙালি কবি খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শনেও বসন্ত ঠাঁই পেয়েছে নানা অনুপ্রাস, উপমা, উেপ্রক্ষায় নানাভাবে। হালে শহরের যান্ত্রিকার আবেগহীন সময়ে বসন্ত যেন কেবল বৃক্ষেরই, মানুষের আবেগে নাড়া দেয় কমই। কবির ভাষায়-মানুষের হৃদয় আজ আনন্দে ভরে উঠুক/দুঃখগুলি সব ঝরে যাক/মানুষের মন হোক অনন্ত,/আজ যে বসন্ত..।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net