ফইজুল ইসলাম:-
গত ১২মার্চ দুপুর ২টায় বরিশালের আঞ্চলিক দৈনিক আজকের তালাশের প্রকাশক ও সম্পাদক মারুফ হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। তাকে তার বেশ কয়েকজন সহকর্মীরা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। জরুরী বিভাগে তাকে তিনতলায় মেডিসিন ৬ এ ভর্তি দেয়। মারুফ হোসেন ভর্তির প্রায় ঘন্টা দুই হয়ে গেলেও কোন খবর পাওয়া যায় নি কর্তব্যরত কোন নার্স কিংবা চিকিৎসকদের। অনেক খোজখুজির পরে পরে একজন ইন্টার্নি ডক্টর (মহিলা) কে মারুফ হোসেনর কথা বলা হলে তিনি তাকে দেখতে আসেন। একপর্যায়ে ইন্টার্নি চিকিৎসক জানতে পারেন রোগী সাংবাদিক। ‘কোন সাংবাদিকের চিকিৎসা শেবাচিমে দেয়া হবেনা’ বলে দ্রুত চলে যায় তিনি। এব্যাপারে তার সহকর্মী বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য তুহিন ইসলাম জানায়,মারুফ হোসনকে হাসপাতালে সাধারন রোগীদের মতোই ভর্তি করা হয়েছে। কোন জায়গায় সাংবাদিক পরিচয়ে যাওয়া হয় নি। ইন্টার্নি চিকিৎসক যখন এসে তার প্রেসার মাপছিলো তখন তিনি বললো ওনার হার্ড দূর্বল আর তখন আমাদের একজন বললো ম্যাডাম সাংবাদিকদের হার্ড কিন্তু দূর্বল হয় না। এমন কথা বলার সাথে সাথেই চিকিৎসক জিজ্ঞেস করে উনি কি সাংবাদিক তখন আমি হ্যা বলায় ‘কোন সাংবাদিকদের চিকিৎসা শেবাচিমে দেয়া হবেনা বলে চলে যায় তিনি। পরে অনেক অনুরোধের পরে এক নার্স এসে একটি ইনজেকশন দিয়ে গেলেও পরবর্তীতে বারবার কর্তব্যরত চিকিৎসকদের অনুরোধ করলেও কেউ আসেনি। সন্ধ্যায় মারুফ হোসনকে নিয়ে সহকর্মীরা হাসপাতাল ত্যাগ করে। এদিকে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তরুন সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দসহ গনমাধ্যম কর্মীরা।
তারা বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও শেবাচিম পরিচলনা বোর্ডের সভাপতি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ও মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে বিচারের দাবী জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা কি মানুষ না? এভাবে যদি সাংবাদিকদের চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয় তাহলে কি করবেন সংবাদকর্মীরা?
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply