রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩৫

শিরোনাম :
জবির সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুকুরে ডাবল ডেকার বাস, আহত ১৫! বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস কৃষিজমির মাটি নয়, খনন করা খালের মাটি দিয়ে ইট তৈরির উদ্যোগ আয়-ব্যয়ের হিসাব দিচ্ছে না বাফুফেসহ ৩৮ ফেডারেশন আব্বাস ভাইয়ের স্ট্রোক কোন দুর্ঘটনা নয়, পাটওয়ারীর পরিকল্পিত আক্রমণের শিকার: রাশেদ খাঁন শেবাচিমে টেকনিশিয়ান ছাড়াই ইসিজি করলেন ট্রলিম্যান, স্বজনদের ক্ষোভ ঝালকাঠিতে দ্বিতীয় স্ত্রীর আঘাতে স্বামীর মৃত্যু ‘চুরির ভয়ে’ মশারি দিচ্ছে না হাসপাতাল, ডেঙ্গু রোগীর পাশে ঝুঁকিতে অন্যরা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া প্রমাণ হলে পদত্যাগ করব: বিভাগীয় কমিশনার ৫০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও পূর্ণাঙ্গ সেবা এখনও অধরা
যমুনা সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাত

যমুনা সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাত

dynamic-sidebar

স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল জেলা সমবায় অফিস থেকে যমুনা সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির নামে অনুমোদন এনে বন্দর থানার সাহেবেরহাটে অফিস খুলে চরমোনাই ইউপির রাজারচর গ্রামের মৃত আকবর আলী খানের পুত্র খান মোস্তাফিজ ও খান হাফিজুরের বিরুদ্ধে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাতের অবিযোগ উঠেছে।সংস্থাটির কার্যক্রম দৈনিক সঞ্চয়, মাসিক সঞ্চয়, ডিপিএস, এককালীন সঞ্চয়ের নামে এ টাকা আত্মসাত করেন বলে জানান ভূক্তভোগীরা। অীভযোগকারীরা হলেন কুন্দিয়ালপাড়া গ্রামের বন্দেআলী ডাকুয়া, রাবেয়া বেগম, বাজার ব্যবসায়ী হানিফ স্বর্নকার, বিশরাদ গ্রামের আ: ছালাম কারী ও মিরাজ আকন ,খন্তাখালী গ্রামের আ; আজিজ, মাও: রিপন, বাজারের বিক্ষুক হলদী বেগমসহ অনেকে।বন্দেআলী ডাকুয়া বলেন আমার পরিবারের সদস্যরা ওই সমিতিতে ৬ লাখ টাকা সঞ্চয় রাখি কিছুদিন থেকে দেখি সমিতির অফিস উধাও। সমিতির মালিক খান হাফিজুরকে খুজে সঞ্চয়ের টাকা চাইলে বলেন আমি দেওলিয়া হয়ে গেছি আপনাদের টাকা এখন দিতে পারবনা যখন হবে দিয়ে দিব। আমি আ’লীগ নেতা আমার সাথে এমপি তালুকদার ইউনুস ও জেবুন্নেছা আফরোজ আছে মামলা মকদ্দমা দিয়ে কিছুই করতে পারবেন না।ভিক্ষুক হলদি বেগম তার ভিক্ষা করা টাকা জামা রেখে না পেয়ে বিভিন্ন সময় মোস্তাফিজের ভাই হাফিজুরকে গালমন্দ করতে দেখেন অনেকে।আ: ছালাম ও সাংবাদিক মিরাজ আকন প্রায় ৩লাখ টাকা সঞ্চয় রাখেন ওই সমিতিতে। তাদেরকে দেই দিচ্ছি বলে চুপ করিয়ে রাখেন। হানিফ স্বর্নকারের সঞ্চয় ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার জন্য খান হাফিজুরের ধারে ধারে ঘুরেও কোন ফল পাননি বলে প্রতিবেদককে জানান। এরকম প্রায় ২ শতাধীক গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে কৌশলে পালিয়ে বেরাচ্ছে সমিতির কর্নধর দুই ভাই। পাওনাদাররা বিভিন্ন সময় খান মোস্তাফিজকে টাকা দিতে বললে তিনি মারেন কাটেন যা খুশি করেন এখন টাকা দিতে পারব না বলে বলে অযুহত দেন। মারলে বা মামলা করলে টাকা হবেনা এটাই এখন তার কৌশল। প্রায় ৩ বছর পূর্বে এই সমিতির নামে স্থানীয় এক সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে চাদাবাজীর মামলা করেন মোস্তাফিজ।ওই সময় ভূক্তভোগীদের দিয়ে বরিশাল জেলা সমবায় অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেন নি কর্তৃপক্ষ। যখন কোটি টাকা হাতিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে মোস্তাফিজ তখন গ্রাহকরা হায়হায় করা ছাড়া কিছুই পান না। কোটি টাকা আত্মসাতের ব্যাপারে গ্রাহকরা দুদকে অভিযোগ করবেন বলে জানান বন্দেআলী ডাকুয়াসহ অনেকে।উল্লেখ্য যে খান মোস্তাফিজ ও হাফিজুর এক সময়কার বাজারের মুদি ব্যবসা করতেন ব্যবসায় মন্দা দেখে এনজিও ব্যবসায় নেমে গ্রাহকের টাকা মেরে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ আর গ্রাহকরা কুপকাত।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net