, ,

শিরোনাম :
ইশরাকের পথে হেঁটে বিপাকে বরিশাল বিএনপি নেতা ফারুক! বানারীপাড়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ, আশুলিয়া থেকে ধর্ষক গ্রেফতার ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলায় ববি ছাত্রলীগকর্মী তাজ গ্রেপ্তার একই মাঠে মসজিদ-মন্দির, আজান হলে থামে ঢাক-ঢোল বরিশালের মুলাদীতে অপহরণের ৬ মাস পর উদ্ধার স্কুলছাত্রী, গ্রেপ্তার ২ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও কঠোর নিরাপত্তার চাদরে বরিশাল অঞ্চলে ১,৭১৮টি মন্ডপে দুর্গাপূজা চলছে একাত্তরে যারা ধোঁকা দিয়েছিল, চব্বিশেও তারা দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী বাবুগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে বাজেট-জনবল সংকট, নদীতে কমছে মাছ বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে আরও দুই নারীর মৃত্যু বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে আলোচনায় একাধিক প্রার্থী, বিএনপিতে মনোনয়ন দৌড়
যমুনা সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাত

যমুনা সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাত

dynamic-sidebar

স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল জেলা সমবায় অফিস থেকে যমুনা সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির নামে অনুমোদন এনে বন্দর থানার সাহেবেরহাটে অফিস খুলে চরমোনাই ইউপির রাজারচর গ্রামের মৃত আকবর আলী খানের পুত্র খান মোস্তাফিজ ও খান হাফিজুরের বিরুদ্ধে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাতের অবিযোগ উঠেছে।সংস্থাটির কার্যক্রম দৈনিক সঞ্চয়, মাসিক সঞ্চয়, ডিপিএস, এককালীন সঞ্চয়ের নামে এ টাকা আত্মসাত করেন বলে জানান ভূক্তভোগীরা। অীভযোগকারীরা হলেন কুন্দিয়ালপাড়া গ্রামের বন্দেআলী ডাকুয়া, রাবেয়া বেগম, বাজার ব্যবসায়ী হানিফ স্বর্নকার, বিশরাদ গ্রামের আ: ছালাম কারী ও মিরাজ আকন ,খন্তাখালী গ্রামের আ; আজিজ, মাও: রিপন, বাজারের বিক্ষুক হলদী বেগমসহ অনেকে।বন্দেআলী ডাকুয়া বলেন আমার পরিবারের সদস্যরা ওই সমিতিতে ৬ লাখ টাকা সঞ্চয় রাখি কিছুদিন থেকে দেখি সমিতির অফিস উধাও। সমিতির মালিক খান হাফিজুরকে খুজে সঞ্চয়ের টাকা চাইলে বলেন আমি দেওলিয়া হয়ে গেছি আপনাদের টাকা এখন দিতে পারবনা যখন হবে দিয়ে দিব। আমি আ’লীগ নেতা আমার সাথে এমপি তালুকদার ইউনুস ও জেবুন্নেছা আফরোজ আছে মামলা মকদ্দমা দিয়ে কিছুই করতে পারবেন না।ভিক্ষুক হলদি বেগম তার ভিক্ষা করা টাকা জামা রেখে না পেয়ে বিভিন্ন সময় মোস্তাফিজের ভাই হাফিজুরকে গালমন্দ করতে দেখেন অনেকে।আ: ছালাম ও সাংবাদিক মিরাজ আকন প্রায় ৩লাখ টাকা সঞ্চয় রাখেন ওই সমিতিতে। তাদেরকে দেই দিচ্ছি বলে চুপ করিয়ে রাখেন। হানিফ স্বর্নকারের সঞ্চয় ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার জন্য খান হাফিজুরের ধারে ধারে ঘুরেও কোন ফল পাননি বলে প্রতিবেদককে জানান। এরকম প্রায় ২ শতাধীক গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে কৌশলে পালিয়ে বেরাচ্ছে সমিতির কর্নধর দুই ভাই। পাওনাদাররা বিভিন্ন সময় খান মোস্তাফিজকে টাকা দিতে বললে তিনি মারেন কাটেন যা খুশি করেন এখন টাকা দিতে পারব না বলে বলে অযুহত দেন। মারলে বা মামলা করলে টাকা হবেনা এটাই এখন তার কৌশল। প্রায় ৩ বছর পূর্বে এই সমিতির নামে স্থানীয় এক সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে চাদাবাজীর মামলা করেন মোস্তাফিজ।ওই সময় ভূক্তভোগীদের দিয়ে বরিশাল জেলা সমবায় অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেন নি কর্তৃপক্ষ। যখন কোটি টাকা হাতিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে মোস্তাফিজ তখন গ্রাহকরা হায়হায় করা ছাড়া কিছুই পান না। কোটি টাকা আত্মসাতের ব্যাপারে গ্রাহকরা দুদকে অভিযোগ করবেন বলে জানান বন্দেআলী ডাকুয়াসহ অনেকে।উল্লেখ্য যে খান মোস্তাফিজ ও হাফিজুর এক সময়কার বাজারের মুদি ব্যবসা করতেন ব্যবসায় মন্দা দেখে এনজিও ব্যবসায় নেমে গ্রাহকের টাকা মেরে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ আর গ্রাহকরা কুপকাত।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net