সৈয়দ মেহেদী হাসান || সারাবিশ্বে চলছে ফুটবল উন্মাদনা। আর বাংলাদেশে সেই উন্মাদনার বর্হিপ্রকাশ ঘটছে নিশান উড়িয়ে। তারই অংশ হিসেবে বরিশালও পিছিয়ে নেই। গ্রুপ পর্ব বাছাই করে খেলার উত্তেজনা যত বাড়ছে ততই পতাকার শহরে রুপ নিচ্ছে বরিশাল ও তার আশপাশের এলাকা। মুদি দোকান, টয়লেট, খেয়াঘাট, ব্রীজ, বিদ্যালয়ের আঙিনা, ফুটপাত, গাড়িতে অহরহ উড়ছে ক্ষুদ্র-মাঝারি থেকে বিশাল আকারের নানান দেশীয় পতাকা।
এসব পতাকার সাথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও উড়ানো হচ্ছে; তবে তা অত্যান্ত তাচ্ছিল্যের সাথে বা বাধ্য হয়ে। ভীনদেশীয় পতাকা ওড়ানোর সময়ে জাতীয় পতাকা সবার ওপরে ওড়ানো হরেও তা যেমন নামানো হচ্ছে না তেমনি রয়েছে আকারগত ত্রুটি। যদিও বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা’র অধিভুক্ত বিশ্বের ২০২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ফুটবলের অবস্থান ১৯৭তম। কিন্তু উন্মাদনায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। দেশের অন্যান্য স্থানে ফুটবল দলকে সমর্থন করে মারধর-কোপাকুপির মত ঘটনাও ঘটছে। প্রতি চার বছর পর যখন বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় তখন খাওয়া-দাওয়া ভুলে অধিকাংশ মানুষ মেতে ওঠে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায়।
আর এই উম্মাদনায় পড়ে এবারও ফুটবল প্রেমীরা তাদের পছন্দের দেশের পতাকা উত্তোলন করেছেন। অথচ সেই তুলনায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়নি। যা কিছু উত্তোলন করা হয় সেটিও সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পেরিয়ে রাত আবার পরেরদিন- এভাবে একনাগারে উড়তেই থাকে। অথচ বাংলাদেশে পতাকা আইন বলছে, সূর্যাস্তের আগেই জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলতে হবে। ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান কেউ নিয়ম অমান্য করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রাখলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। আবার বিধান রয়েছে, যে ভবন বা যানবাহনের সাথে পতাকা উত্তোলন করা হবে সেই ভবন/যানবাহনের আকৃতির অনুসারে পতাকার পরিমাপ হতে হবে। অন্যথায় আইনত দন্ডনীয়।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনের এমন কঠোর নিয়ম থাকলেও তার কোনো তোয়াক্কা করা হচ্ছে না বরিশালে। জাতীয় পতাকা অবমাননা হলেও সচেতনতা কিংবা ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো দৃশ্যও এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। ফলে পতাকা অবমাননার বিষয়টি অবহেলায় পার হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় পতাকা সর্ম্পকে তরুনদের মাঝে সম্মান প্রদর্শণ নিম্মমুখি হচ্ছে।
এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হুমায়ূন কবীর বলেন, সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশে ভিনদেশী পতাকা উত্তোলন অনেকটা আবেগের জন্য সাধারন চোখে দেখা হয়। তবে এক্ষেত্রে জাতীয় পতাকার অবমাননা অবশ্যই দন্ডনীয় অপরাধ। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন হয়নি। সিদ্ধান্ত গ্রহন হলে আমরা কার্যকরি ব্যবস্থা নিতে মাঠে নামব।
বীর প্রতীক কে.এস.এ মহিউদ্দিন মানিক মনে করেন, প্রত্যেক দেশের পতাকাকে যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। কোন উন্মাদনায় খেয়াল রাখতে হবে যেন আমার দেশের পতাকাকে অসম্মান না করি। এই মুক্তিযোদ্ধা মনে করেন, ফুটবল উন্মাদনায় আমাদের জাতীয় পতাকার অবমাননার পেছনে শুধু তরুনরাই দায়ী নয় পাশাপাশি বড়রাও দায়ী। তিনি মনে করেন, এই তরুনদের আমরা পতাকার সঠিক ইতিহাস ও সম্মান শিখাতে পারিনি বিধায় বর্হিবিশ্বের উন্মাদনায় দলিত হচ্ছে বাংলাদেশের পতাকার সম্মান। এক্ষেত্রে তিনি প্রশাসন ও সচেতনদের এগিয়ে আসার আহবান রাখেন।
জানা গেছে, পৃথক পৃথক স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সেগুলো হলো ভবনের জন্য পতাকার সাইজ হবে ১০ ফুট বাই ৬ ফুট, ৫ ফুট বাই ৩ ফুট এবং ২.৫ ফুট বাই ১.৫ ফুট। এখানে উল্লেখ্য যে পতাকার আকার ভবনের আকার অনুযায়ী হতে হবে। সরকার প্রয়োজনে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পরিমাপ বজায় রেখে বৃহদাকার পতাকা প্রদর্শনের জন্য অনুমতি দিতে পারেন। মোটর গাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো ১৫ ইঞ্চি বাই ৯ ইঞ্চি এবং ১০ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চি। আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্মেলনের জন্য টেবিল পতাকার আকার ১০ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চি। কলেজ শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা উপলক্ষে পতাকা নিয়ে যা হচ্ছে এটি আমাদের কাম্য নয়। এ পতাকা একটি জাতির স্বাধীনতার প্রতীক, দেশ ও জাতির কাছে একটি পবিত্র আমানত। যে কেউ যে কোন দল কে সমর্থন করতেই পারে তাই বলে আমরা আমাদের নিজস্ব সত্ত¡া যেন হারিয়ে না যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কথা হয় ব্রজিল সমর্থক কলেজ ছাত্র জুয়েল আরাফাতের সাথে।
তিনি জানান, কাউনিয়ায় নিজের বাড়ি ও আশেপাশে তার সমর্থিত দলের পত্কা উত্তোলন করেছেন। তবে সেসব পতাকার একদম উপরে বাংরাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রেখেছেন। সেই পতাকা রাতেও নামান না বলে স্বীকার করেন জুয়েল। কারণ হিসেবে বলেন, পতাকা আইন জানেন না তিনি। আর্জেন্টিনার সমর্থক বিএম কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রী জ্যোতি বলেন, তার মেসের ছাদেও তিনি একটি জাতীয় পতাকা ও সমর্থিত দলের পতাকা উত্তোলন করেছেন। রাতেও জাতীয় পতাকা নামান না বলে এই শিক্ষার্থী বলেন, আসলে আমি জানি না জাতীয় পতাকা কিভাবে সংরক্ষণ করতে হয়। তিনি বলেন, তার ধারণা পতাকা উত্তোলই সম্মান প্রদর্শন। সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন ভবন, সড়কের পাশে, রেলিংয়ে, দোকানের জানালায়, ফুটপাথেসহ প্রভৃতি স্থানে পতাকা উত্তোলন করে রাখার দৃশ্য চোখে পরে। একই দৃশ্য চোখে পরে বরিশাল নগরীর বাইরেও। সেখানেও একইভাবে জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত জাতীয় পতাকার সম্মান অক্ষুন্ন রাকতে পতাকা আইনে ২৬ টি নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন-
১। এমন কোন স্থানে পতাকা টানানো যাবে না যেখানে পতাকার সম্মানহানি হতে পারে।
২। পতাকা দিয়ে মোটরযান, রেলগাড়ি অথবা নৌযানের খোল, সম্মুখভাগ অথবা পেছনের অংশ কোন অবস্থাতেই ঢেকে দেওয়া যাবে না।
৩। যেক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের পতাকা অথবা রঙিন পতাকার সাথে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকাকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য স্থান সংরক্ষিত থাকবে।
৪। যেক্ষেত্রে কেবলমাত্র দুইটি পতাকা অথবা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ ভবনের ডানদিকে উত্তোলন করা হবে।
৫। যেক্ষেত্রে পতাকার সংখ্যা দুইয়ের অধিক হয়, সেক্ষেত্রে অযুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ মধ্যখানে এবং যুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ মধ্যভাগের ডানদিকে উত্তোলন করা হবে।
৬। যেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ অন্য পতাকার সাথে আড়াআড়িভাবে কোন দন্ডে দেয়ালের বিপরীতে উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকা অন্য পতাকার ডানদিকে আড়াআড়িভাবে থাকবে (আড়াআড়িভাবে যুক্ত পতাকা দুইটির দিকে মুখ করে দন্ডায়মান ব্যক্তির বামদিকে) এবং পতাকা দন্ডটি অন্য পতাকা দন্ড থেকে কিছুটা সামনে স্থাপিত হবে।
৭। ‘বাংলাদেশের পতাকা’র উপরে অন্য কোন পতাকা বা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।
৮। ‘বাংলাদেশের পতাকা’ শোভাযাত্রার মধ্যভাগে বহন করা যাবে অথবা সৈন্য দলের অগ্রগমন পথে শোভাযাত্রার ডানদিকে বহন করতে হবে।
৯। মর্যাদার প্রতীক সম্বলিত ঢালে অযুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ মধ্যভাগে এবং সর্বোচ্চ কেন্দ্রে থাকবে এবং যুগ্ম সংখ্যক পতাকার ক্ষেত্রে ঢালের ডানদিকে শীর্ষে (ঢালের দিকে মুখ করে দন্ডায়মান ব্যক্তির বামদিকে) বাংলাদেশের পতাকা স্থাপন করা হবে।
১০। যেক্ষেত্রে অন্য কোন দেশের সহিত ‘বাংলাদেশের পতাকা’ একত্রে উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ প্রথমে উত্তোলন করতে হবে এবং নামানোর সময় সবশেষে নামাতে হবে।
১১। যেক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক দেশের পতাকা প্রদর্শিত হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিটি পতাকা পৃথক পৃথক দন্ডে উত্তোলন করা হবে এবং পতাকাসমূহ প্রায় সমান আয়তনের হবে।
১২। যেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের পতাকা’ অর্ধনমিত থাকে, সেক্ষেত্রে প্রথমে সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে এবং অতঃপর নামিয়ে অর্ধনমিত অবস্থায় আনা হবে। ঐ দিবসে পতাকা নামানোর সময় পুনরায় উপরিভাগ পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে, অতঃপর নামাতে হবে।
১৩। যেক্ষেত্রে দন্ডের উপর ব্যতীত অন্যভাবে কোন দেয়ালের উপর ‘পতাকা’ প্রদর্শিত হয়, সেক্ষেত্রে তা দেয়ালের সমতলে প্রদর্শিত হবে। কোন পাবলিক অডিটোরিয়াম বা সভায় ‘পতাকা’ প্রদর্শন করতে হলে তা বক্তার পশ্চাতে উপরের দিকে প্রদর্শিত হবে। যেক্ষেত্রে রাস্তার মধ্যখানে পতাকা প্রদর্শিত হয়, সেক্ষেত্রে তা খাড়াভাবে প্রদর্শিত হবে।
১৪। কবরস্থানে ‘জাতীয় পতাকা’ নিচু করা যাবে না বা ভূমি স্পর্শ করানো যাবে না।
১৫। ‘পতাকা’ কোন ব্যক্তি বা জড় বস্তুর দিকে নিম্নমুখী করা যাবে না।
১৬। ‘পতাকা’ কখনই তাঁর নিচের কোন বস্তু যেমন: মেঝে, পানি বা পণ্যদ্রব্য স্পর্শ করবে না।
১৭। ‘পতাকা’ কখনোই আনুভূমিকভাবে বা সমতলে বহন করা যাবে না, সর্বদাই ঊর্ধ্বে এবং মুক্তভাবে থাকিবে।
১৮। ‘বাংলাদেশের পতাকা’ কোন কিছুর আচ্ছাদন হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না, তবে শর্ত থাকে যে, কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি যাঁকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদা বা পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতাসহ সমাধিস্থ করা হয়, তাঁর শবযানে পতাকা আচ্ছাদনের অনুমোদন প্রদান করা যেতে পারে।
১৯। ‘পতাকা’ এমনভাবে উত্তোলন, প্রদর্শন, ব্যবহার বা সংরক্ষণ করা যাবে না, যাতে সহজেই ছেঁড়া যেতে পারে বা যে কোনভাবে ময়লা বা নষ্ট হতে পারে।
২০। কোন কিছু গ্রহণ, ধারণ, বহন বা বিলি করার জন্য ‘পতাকা’ ব্যবহার করা যাবে না।
২১। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আরোপিত কোন শর্তাবলী (যদি থাকে) এবং লিখিত অনুমোদন ব্যতীত, কোন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য, সম্বোধন, পেশা বা অন্য যে কোন উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের ‘পতাকা’ কোন ট্রেড মার্ক, ডিজাইন, শিরোনাম অথবা কোন প্যাটেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
২২। যেক্ষেত্রে ‘পতাকা’র অবস্থা এমন হয় যে, তা আর ব্যবহার করা যাবে না, নষ্ট হয়ে গেছে, সেক্ষেত্রে তা মর্যাদপূর্ণভাবে, বিশেষ করে সমাধিস্থ করে নিষ্পত্তি করতে হবে। ২৩। ‘পতাকা’ দ্রæত উত্তোলন করতে হবে এবং সসম্মানে নামাতে হবে।
২৪। ‘পতাকা’ উত্তোলন ও নামানোর সময় এবং প্যারেড পরিক্রমণ ও পরিদর্শনের সময় উপস্থিত সকলে ‘পতাকা’র দিকে মুখ করে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। ২৫। যেক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পতাকা’ উত্তোলন করা হয়, সেক্ষেত্রে একই সাথে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে। যখন জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় এবং ‘জাতীয় পতাকা’ প্রদর্শিত হয়, তখন উপস্থিত সকলে ‘পতাকা’র দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন। ইউনিফর্ম-ধারীরা স্যালুট-রত থাকবেন। ‘পতাকা’ প্রদর্শন না করা হলে, উপস্থিত সকলে বাদ্য যন্ত্রের দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন, ইউনিফর্ম-ধারীরা জাতীয় সঙ্গীতের শুরু হতে শেষ পর্যন্ত স্যালুট-রত থাকবেন।
২৬। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি ব্যতীত, ‘জাতীয় পতাকা’ অর্ধনমিত করা যাবে না, তবে শর্ত থাকে যে, বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রধান (যে দেশের নিকট তিনি আস্থাভাজন) ইচ্ছা করলে ঐ সকল দিবসে ‘পতাকা’ অর্ধনমিত রাখতে পারবেন, যে সকল দিবসে উক্ত দেশে, সরকারীভাবে ‘পতাকা’ অর্ধনমিত রাখা হয়।
২০১০ সালের জুলাই মাসের সংশোধিত আইনে এসব বিধানের অমান্যকারীর সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত শাস্তি এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বিধান রাখা হয়।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply