মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩২

শিরোনাম :
সাগর রুনির দুই খুনির ডিএনএ পেয়েছে র‌্যাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাগর রুনির দুই খুনির ডিএনএ পেয়েছে র‌্যাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

dynamic-sidebar

নড়াইল সংবাদদাতাঃ


সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র‌্যাব দুই জনের ডিএনএর নমুনা খুঁজে পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বলেন, এই ডিএনএর নমুনা ম্যাচিং করার চেষ্টা চলছে। শিগগির এই তদন্ত শেষ হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। বলেন, প্রতিবেদন সহসাই আলোর মুখ দেখবে।

শনিবার নড়াইলের নড়াগাতি থানার অরুণিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাব চত্বরে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের নিজ বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

সে সময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছরেও গ্রেপ্তার করা যায়নি খুনিকে। এ নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ আছে। নিহত দুই জনের স্বজনরা বিচারের আশা বলতে গেলে ছেড়েই গিয়েছেন।

এর মধ্যে মামলার তদন্তভার থানা হয়ে ডিবির পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে র‌্যাবের কাছে যায়। র‌্যাব সদস্যরা সন্দেহভাজনদের ডিএনএ যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করিয়েও এনেছেন। ২০১২ সালের ৯ অক্টোবর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাতজনকে আটকের কথা জানান। কিন্তু দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য উদ্ধার করতে পারেনি র‌্যাব। পরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, সাগর-রুনির বাসার পলাতক দারোয়ান এনামুল হক ওরফে হুমায়ূনকে ধরতে পারলে হত্যা রহস্য উন্মোচন হবে। এ জন্য এনামুলকে ধরতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়।

কিন্তু ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এনামুলকে গ্রেপ্তার করা হলেও খোলেনি রহস্যজট। এখনো অধরাই থেকে গেছে প্রকৃত খুনিরা।
সাংবাদিক দম্পতির মৃত্যুর দিবসে রাজধানীতে যখন নানা কর্মসূচি চলছে, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে এই হত্যার তদন্তের বিষয়ে প্রশ্ন করেন নড়াইলের সাংবাদিকরা। এই মামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৪৬ বার তদন্ত প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলেও পরবর্তী তারিখেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার বিষয়ে আশাদাবী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, ‘ ২১ মার্চ পরবর্তী তারিখে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা চলছে।’

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল খুলনা রেঞ্জের ১০ জেলার উধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি এস এম মনির-উজ-জামান বিপিএম পিপিএম, র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি একরামুল হাবীব, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি, নড়াইলের পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ উধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net