নিজস্ব প্রতিবেদক : গত বৃহস্পতিবার ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় নগরীর কাশীপুর ইছাকাঠি কলোনীতে মুক্তিযোদ্বা সংখ্যালঘু পরিবারের উপর যুবলীগ কর্মিদের হামলায় মা-ছেলে আহতর ঘটনা ঘটে। আহত অপু (২১) তখন সাংবাদিকদের বলেছিলো ,বহিরাগত ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী তার উপর হামলা চালায়। অপুর বক্তব্য অনুযায়ী হামলায় তার মাথা ফেটে যায়
এবং অপুর মা গৌরী রানী হামলার প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করে সন্ত্রাসীরা। পরবর্তীতে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে হমলাকারীদের মধ্যে রাকিব ও বাবু নামে ২ জনকে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। হামলার কারন জানতে চাইলে আহত অপু জানিয়েছিল.
বাবু, রাকিবসহ ৫-৬ জন যুবলীগকর্মি সেদিন বিকেলে ইছাকাঠী কলোনীতে ডুকে এলাকার মেয়েদেরকে উত্যক্ত করে। সেই সময় অপু তাদের বাঁধা দেয়। এনিয়ে তাদের সাথে বাকবিতন্ড হয়।
এই ঘটনার সূত্রধরেই রাতে রাকিব, বাবু,রুবেল,সিরাজ,সোহেলসহ ১৫-২০জন সন্ত্রাসী তার উপর এ হামলা চালায়। এ ব্যাপারে ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘‘সন্ত্রাসীদের কোন দল নেই। তার বিচার হওয়া উচিৎ। ‘’ তবে যুবলীগের নেতা কামরুজ্জামান লিখন বা তার অনুসারীরা জড়িত কি না, আর কিশোর ছেলেরা কোথাকার যুবলীগ? প্রশ্নে মুখ খোলেননি ফরিদ। ওদিকে, ২ ফেব্রুয়ারী সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হলে আসামী করা হয়নি স্থানীয় কোন যুবলীগের নেতা,কর্মীদের। এ নিয়ে কাউন্সিলর ফরিদের উপর আস্থাহীনতায় ভুগছে স্থানীয় আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠন। হামলার বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.আর মুকুল জানান, ‘”মারামারির ঘটনায় মামলা হয়েছে, আটক রয়েছে দুজন। আটককৃত দুজন কিশোর বয়সী।”

ফাইল ফটো
এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান লিখন বলেন, ‘‘হামলাকারীরা ও ভুক্তভোগী সবাই কিশোর । অতএব কিশোরদের এখানে কিভাবে যুবলীগের কর্মী দাবী করলো, সেইটা আমার জানা নেই । আর ভুক্তভোগী অপু,দিপুসহ ঘটনার মামলার সাক্ষীসহ বেশকয়েকজন ২০০৪ সালে আমাকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামী এরা । মূলত এরা বিএনপির জামাই হানিফের লোকজন. সিটি নির্বাচনের কিছুদিন আগ থেকে এদের সাথে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদের একটি সম্পর্ক তৈরী হয়। দীর্ঘদিন যাবত অপুসহ তার পরিবারের সবাই বিএনপির সাথে জরিত । বর্তমানে এরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ফরিদ কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে আমাকে উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে। এদের এ চক্রান্তের সাথে কাউন্সিলরকে সামনে রেখে অপু,স্বজল,দিপু, পঞ্চাশ কামাল সহ ১৫-২০ জন জড়িত রয়েছে ।
কামরুজ্জামান লিখন আরো বলেন. এ ঘটনার মামলায় যেহেতু কিশোরদের আসামী করা হয়েছে সেহেতু ১৫ বছর বয়সী কিশোর কোন ওয়ার্ডের যুবলীগ? থানায় যুবলীগের কোন নেতা,কর্মীর নামে মামলা হয়নি, তাহলে কেনো কাউন্সিলর ফরিদ সাহেব বরিশাল মহানগর যুবলীগের নামে বদনাম রটিয়েছেন? এ ঘটনা কিসের আলামত?
ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সদস্য গৌরী রানী ও অপুর বক্তব্য সংগ্রহে গেলে তাদের কোন সঠিক সন্ধান মেলেন, ঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। তবে স্থানীয় লোকজন জানায় অপু সেদিন বনভোজন শেষে পরেরদিন সকালে একবার দেখা গেলেও এরপর তাকে কেউ আর দেখেনি।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply