শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:১৫

শিরোনাম :
শিশু ধর্ষণ চেষ্টাকারী শামীমকে বাঁচাতে মরিয়া কাউনিয়া থানা পুলিশ

শিশু ধর্ষণ চেষ্টাকারী শামীমকে বাঁচাতে মরিয়া কাউনিয়া থানা পুলিশ

dynamic-sidebar

বরিশাল লামচরি ইউনিয়নের শিশু ধর্ষণচেষ্টা ঘটনার ৪ দিন পার হয়ে গেলেও শামিমকে আটক করতে পরেনি কাউনিয়া থানা পুলিশ। অথচ ধর্ষক শামীম মাতুব্বর বহাল তবিয়তে রয়েছে লোক চক্ষুর আড়ালে। বরিশাল পুলিশ প্রশাসন একাধিকবার নির্যাতিত শিশুর জবানবন্ধি নেয়ার ঘটনা দেখলে মনে হয় ৯৮ সালের ডিপজল অভিনীত কোনো বাংলা সিনেমা। শিশু ধর্ষণকারী শামীম মাতুব্বরের ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা একটু সন্দেহজনক। লামচরির নির্যাতিতার পরিবার বরিশালে বিচার পাবার দাবিতে মানববন্ধন করতে চাইলে কাউনিয়া থানা পুলিশ তাদের নিষেধ করে। ধর্ষণ ঘটনার ৮০ ঘন্টা পার হলেও পুলিশ শামীম মাতুব্বরকে এখনো গ্রেপ্ততার করতে পারে নাই। উল্টো নির্যাতিত পরিবারকে শামীমের সন্ধান দিতে বলছে পুলিশ। মোট কথা পুলিশ এখানে কাটা গায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছে। গোপন সূত্রে জানা যায় শামীমের পক্ষে পুলিশ প্রশাসন, মিডিয়া ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের ম্যানেজ করার জন্য কিছু লোক পাঁয়তারা চালাচ্ছে। ছুটছে তাদের দারে দারে। কাউনিয়া থানা পুলিশের ভূমিকা দেখলে এই খবরের সাথে মিল পাওয়া যায়। ৩০ তারিখ নির্যাতিত শিশুর অভিভাবকরা থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ প্রথমে কোনো গুরুত্ব দেয়নি । অভিযোগ দিতে থানায় গেলে বিষয়টি এরিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা । পরবর্তীতে এলাকার লোকদের চাপের মুখে ১ ফেব্রুয়ারী মামলা নেয় পুলিশ। কাউনিয়া থানার মামলা নং ১। এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন শামীম মাতুব্বরকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছে বলে মিডিয়াকে শুধু জানান দিচ্ছে। দৃশ্যমানগত ভাবে পুলিশের কোনো পদক্ষেপ দেখা বা শোনা যায় না। উল্টোভাবে নির্যাতিত শিশুটিকে একাধিকবার ডেকে এনে জবানবন্ধি নিচ্ছে। যেটা অমানবিক একটি বিষয়। একদিকে নরপশু শামীম ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার মাধ্যমে মানসিকভাবে শিশুটিকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসন বারবার জবানবন্ধীর নামে শিশুটিকে মানসিকভাবে পূনরায় ধর্ষণ করছে। যা একটি ৭ বছরের শিশুর মানসিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটি প্রতিবন্ধকতা তৈরী হতে পারে। এখানে প্রশ্ন কাউনিয়া পুলিশ শামীম মাতুব্বরকে গ্রেফতারের পিছনে না ছুটে নির্যাতিত শিশুটির পিছনে লেগে আছে কেন? নাকি এই ঘটনাকে অন্যদিকে প্রভাবিত করার জন্য কোনো রাস্তা তৈরী করছে পুলিশ। শামীম যে এই প্রথম কোনো অপরাধ করলো সেটা নয় , এর পূর্বেও তিনি অনেক অপরাধ করেছে । এতো অপরাধ করেও শামীম মাতুব্বর ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আর নির্যাতিত শিশু ও তার পরিবার বিচার পাবার আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। দেখা যাক ‘পুলিশ এবার রক্ষক না ভক্ষক’ এ বিষয়টিতে কোন ধরনের ভুমিকা পালন করে ?

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net