স্টাফ রির্পোটার ॥ বরিশালের উজিরপুর থানার চকমান গ্রামে জমি বিরোধের জেরে বসতঘরে আগুন দিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৫ মার্চ উজিরপুর থানার চকমান (মশাং) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চকমান গ্রামের বাসিন্দা মৃত. আঃ ওয়াহেদ হাওলাদারের পুত্র মোঃ কেরামত আলী হাওলাদার উজিরপুর থানায় ৭ জনের নাম সহ ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদীরা হল- চকমান গ্রামের বাসিন্দা আঃ হাসেম হাওলাদারের পুত্র মোঃ শহিদ হাওলাদার, শহীদ হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম, মৃত. আঃ ওহায়েদ হাওলাদারের পুত্র হানিফ হাওলাদার, হানিফ হাওলাদারের স্ত্রী বিলকিছ বেগম, হানিফ হাওলাদারের মেয়ে বৃষ্টি আক্তার, মৃতঃ আঃ ওহায়েদ হাওলাদারের মেয়ে খাদিজা বেগম, তালেব আলীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম।
এজাহার সূত্রে জানাগেছে, বরিশালের উজিরপুর ৪নং ইউনিয়নে চকমান গ্রামের বাসিন্দা মোঃ কেরামত আলী হাওলাদারের সাথে একই গ্রামের বাসিন্দা শহীদ হাওলাদারের দীর্ঘদিন যাবৎ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। কেরামত আলীর জমির উপর ভবন নির্মান করেন শহিদ হাওলাদার। সেই ভবনের কাজে বাঁধা দেয় কেরামত আলী ও তার ছেলে মনির । পরে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঘটনা স্থাল উজিরপুর থানা পুলিশ পরিদর্শন করেন। তবে কেরামত আলীর অভিযোগ সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ও পূর্বের শত্রুতার জের ধরে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তাদের বসত ঘরে আগুন দেয় শহিদ ও তার সহযোগীরা।
এদিকে আরাফাত মনির অভিযোগ করে বলেন, তিনি ঘটনার দিন নামাজ পড়তে মসজিদে যান ও তার স্ত্রী পাশের বাসায় গেলে সেই সুযোগে ভূমিদস্যু শহিদ,হানিফ সহ একাধীক সহযোগীরা তার শিশু ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যা করার জন্য আগুন দেয় ঘরে। পরে স্থানীয়রা সেই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। স্থানীয়রা জানান, এই জমিজমার বিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে মামলা- মোকাদ্দমা চলে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে বিবাদীরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে আসিতেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ মার্চ বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কেরামত আলী হাওলাদারের বসতঘরে অগ্নি সংযোগ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় বসতঘরে শিশু থাকলেও সে প্রানে বেঁচে যায়।
কেরামত আলী হাওলাদার আরো জানান, অগ্নিকান্ডে তাদের প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত হানিফ জানান, তিনি অসুস্থ হয়ে ঘরে পরে রয়েছেন। তবে ঘটনা স্থলে তিনি ওই দিন ছিলেন না বলে দাবি করেন। তা ছাড়া তিনি প্রতিবেদকে সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন সাংবাদিক ও নেতাদের দ্বারা হুমকি দিবেন বলে জানান। তবে তিনি আরো দাবি করেন,তার অনেক বড় বড় মাপের সাংবাদিক রয়েছে ঢাকায়।
এবিষয় উজিরপুর থানার এসআই হারুন তিনি জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়েছেন। তবে এ ঘটনা কে ঘটাতে পরে সেই বিষয় তিনি কোন সাক্ষি পায় নি বলে জানান। তবে কেরামত আলী তিনি প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply